কঙ্গোতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় নিহত ৪৩
আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কঙ্গোর সামরিক মুখপাত্র জুলেস শিকুণ্ডি নগোঙ্গো জানান, ইতুরি প্রদেশের মামবাসা অঞ্চলের বাফওয়াকোয়া এলাকায় এ হামলায় আরও ৪৪টি ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এই হামলার জন্য অ্যালিড ডেমোক্রেটিক ফোর্সকে দায়ী করেছে। এটি উগান্ডাভিত্তিক একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং ইসলামিক স্টেটের অনুগত গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় প্রশাসক ব্যাপটিস্ট মুনিয়াপান্ডি জানিয়েছেন, এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, হামলাকারীরা ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়, কিছু মানুষকে দা দিয়ে হত্যা করে এবং অনেকে আগুনে পুড়ে মারা যায়। এছাড়া অন্তত দুজনকে অপহরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে কঙ্গোর সেনাবাহিনী। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত গোষ্ঠী এম২৩ অন্যতম। এ গোষ্ঠীটি গত বছর পূর্বাঞ্চলের প্
আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কঙ্গোর সামরিক মুখপাত্র জুলেস শিকুণ্ডি নগোঙ্গো জানান, ইতুরি প্রদেশের মামবাসা অঞ্চলের বাফওয়াকোয়া এলাকায় এ হামলায় আরও ৪৪টি ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এই হামলার জন্য অ্যালিড ডেমোক্রেটিক ফোর্সকে দায়ী করেছে। এটি উগান্ডাভিত্তিক একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং ইসলামিক স্টেটের অনুগত গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় প্রশাসক ব্যাপটিস্ট মুনিয়াপান্ডি জানিয়েছেন, এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, হামলাকারীরা ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়, কিছু মানুষকে দা দিয়ে হত্যা করে এবং অনেকে আগুনে পুড়ে মারা যায়। এছাড়া অন্তত দুজনকে অপহরণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে কঙ্গোর সেনাবাহিনী। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত গোষ্ঠী এম২৩ অন্যতম। এ গোষ্ঠীটি গত বছর পূর্বাঞ্চলের প্রধান শহর গোমাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করেছিল।
২০২১ সাল থেকে কঙ্গো ও উগান্ডার যৌথ সামরিক অভিযান চললেও এডিএফকে পুরোপুরি দমন করা সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইতুরি ও নর্থ কিভু অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের ওপর তাদের হামলা আরও বেড়েছে।
গবেষণা সংস্থা ইনসিকিউরিটি ইনসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পূর্ব কঙ্গোতে বেসামরিকদের ওপর সংঘটিত সহিংস ঘটনার প্রায় এক-চতুর্থাংশের জন্য এডিএফ দায়ী।
What's Your Reaction?