কাজী জাফর আহমদের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী আজ
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম কাজী জাফর আহমদের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী বুধবার (০১ জুলাই)।
১৯৩৯ সালের এ দিনে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রখ্যাত চিওড়া কাজী পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। এ উপলেক্ষে চিওড়া কাজীবাড়িতে দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, বাদ আছর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলে মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত হয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মোহাম্মদ নাহিদ।
কাজী জাফর আহমদ ভাষা আন্দোলনের সিঁড়ি বেয়ে তিনি ১৯৫৫ সালে সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন। ১৯৬২ সালে সামরিক শাসন ও ঐতিহাসিক শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে কাজী জাফর আহমদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার পতাকা উড্ডয়ন করেন। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম কাজী জাফর আহমদের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী বুধবার (০১ জুলাই)।
১৯৩৯ সালের এ দিনে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রখ্যাত চিওড়া কাজী পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। এ উপলেক্ষে চিওড়া কাজীবাড়িতে দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, বাদ আছর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলে মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত হয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মোহাম্মদ নাহিদ।
কাজী জাফর আহমদ ভাষা আন্দোলনের সিঁড়ি বেয়ে তিনি ১৯৫৫ সালে সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন। ১৯৬২ সালে সামরিক শাসন ও ঐতিহাসিক শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে কাজী জাফর আহমদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার পতাকা উড্ডয়ন করেন। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯-১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।