‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠান ৫ এপ্রিল

দেশে প্রথমবারের মতো প্রদান করা হচ্ছে গুণগত মান ও ব্যবস্থাপনায় উৎকর্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’। আগামী ৫ এপ্রিল (রোববার) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম)। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (TQM) দর্শনের বিশ্বখ্যাত কিংবদন্তি এবং টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. নোরিয়াকি কানো। তিনি বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. এহসানুল হক। আয়োজকরা জানান, জাপানের সম্মানজনক ‘ডেমিং প্রাইজ’ বা ‘সিঙ্গাপুর কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’-এর আদলে বাংলাদেশে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মে

‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠান ৫ এপ্রিল
দেশে প্রথমবারের মতো প্রদান করা হচ্ছে গুণগত মান ও ব্যবস্থাপনায় উৎকর্ষতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’। আগামী ৫ এপ্রিল (রোববার) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম)। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (TQM) দর্শনের বিশ্বখ্যাত কিংবদন্তি এবং টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক ড. নোরিয়াকি কানো। তিনি বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. এহসানুল হক। আয়োজকরা জানান, জাপানের সম্মানজনক ‘ডেমিং প্রাইজ’ বা ‘সিঙ্গাপুর কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’-এর আদলে বাংলাদেশে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিএসটিকিউএম নেতারা বলেন, বাংলাদেশে এমন কোনো শক্তিশালী পুরস্কার ব্যবস্থা ছিল না যা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের উৎকর্ষ অর্জনে উৎসাহিত করতে পারে। এই অভাব পূরণে এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে ‘কানো-বিএসটিকিউএম কোয়ালিটি অ্যাওয়ার্ড’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিএসটিকিউএম-এর সভাপতি এবং ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য-সচিব এ কে এম শামসুল হুদা জানান, এই পুরস্কারের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা প্রতি বছর পুরস্কার দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। অত্যন্ত কঠোর এবং নিরপেক্ষ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পেশাদার বিশেষজ্ঞদের সন্তুষ্টি সাপেক্ষেই কেবল বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। বর্তমানে একাধিক আবেদন প্রক্রিয়াধীন এবং ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের কনফারেন্স হলে প্রথম বিজয়ীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। এসময় বিএসটিকিউএমের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow