কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর সড়ক পরিদর্শনে এমপি, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে সরসপুর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজে ধীরগতির কারণে জনভোগান্তির খবর দৈনিক কালবেলায় প্রকাশের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। সম্প্রতি দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে সড়কটির নির্মাণকাজের ধীরগতির তথ্য তুলে ধরা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সংসদ সদস্য। পরে শুক্রবার (০১ মে) তিনি সরেজমিনে সড়কটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহ আলম এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহির সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ঠিকাদারকে আগামী তিন মাসের মধ্যে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। এমপি আবুল কালাম বলেন, সংসদে অবস্থানকালে সামাজিক মাধ্যমে দৈনিক কালবেলার সংবাদটি তার নজরে আসে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, সড়কটির টেন্ডার ২০২৪ সালের আগস্টের আগে হলেও কাজ এখনো সন্তোষজনকভাবে এগোয়নি। তিনি আরও বলেন, পরিদর্শনে এসে দেখলাম কাজের গতি খুবই ধীর। যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তার প্রতিফলন দৃশ্যমান নয়। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ইতোমধ্যে দুই বছর পার হয়ে গেছে, অথচ কাজ

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর সড়ক পরিদর্শনে এমপি, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে সরসপুর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজে ধীরগতির কারণে জনভোগান্তির খবর দৈনিক কালবেলায় প্রকাশের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম।

সম্প্রতি দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে সড়কটির নির্মাণকাজের ধীরগতির তথ্য তুলে ধরা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সংসদ সদস্য। পরে শুক্রবার (০১ মে) তিনি সরেজমিনে সড়কটি পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহ আলম এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহির সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ঠিকাদারকে আগামী তিন মাসের মধ্যে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

এমপি আবুল কালাম বলেন, সংসদে অবস্থানকালে সামাজিক মাধ্যমে দৈনিক কালবেলার সংবাদটি তার নজরে আসে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, সড়কটির টেন্ডার ২০২৪ সালের আগস্টের আগে হলেও কাজ এখনো সন্তোষজনকভাবে এগোয়নি।

তিনি আরও বলেন, পরিদর্শনে এসে দেখলাম কাজের গতি খুবই ধীর। যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তার প্রতিফলন দৃশ্যমান নয়। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ইতোমধ্যে দুই বছর পার হয়ে গেছে, অথচ কাজ শেষ হয়নি। এতে বর্ষা ও বন্যার সময় এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছে। শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূইয়া দোলন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুল আলম বাচ্চু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ জিকু, সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ চৌধুরী এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নূর মোহাম্মদ মেহেদীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow