কালামের পাশেই শায়িত হবেন স্ত্রী ও তিন সন্তান, খোঁড়া হচ্ছে কবর

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কনকদিয়া গ্রামের কাড়াল বাড়িতে আনা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত একই পরিবারের বাকি চার সদস্যের মরদেহ। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের গৃহবধূ সায়মা (৩২)। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) পরিবারের কর্তা মীর কালাম (৩৫) মারা গেলে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়। বর্তমানে কালামের কবরের পাশেই স্ত্রী ও তিন সন্তানের জন্য আরও চারটি কবর খুঁড়ছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীরা। স্থানীয়রা জানান, পরিবারের বেশিরভাগ স্বজন ঢাকায় অবস্থান করায় গ্রামের বাড়িতে তেমন কেউ নেই। তাই দাফনের প্রস্তুতিতে এগিয়ে এসেছেন প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী। মরদেহগুলো পটুয়াখালীতে পৌঁছাতে রাত হতে পারে। শনিবার (১৬ মে) সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। নিহতরা হলেন সায়মা, তার ছেলে মুন্না এবং দুই মেয়ে কথা ও মুন্নি। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের কর্তা মীর কালাম। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোববার (১০ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের পাঁচজন দগ

কালামের পাশেই শায়িত হবেন স্ত্রী ও তিন সন্তান, খোঁড়া হচ্ছে কবর

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কনকদিয়া গ্রামের কাড়াল বাড়িতে আনা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত একই পরিবারের বাকি চার সদস্যের মরদেহ।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের গৃহবধূ সায়মা (৩২)। এর আগে মঙ্গলবার (১২ মে) পরিবারের কর্তা মীর কালাম (৩৫) মারা গেলে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়। বর্তমানে কালামের কবরের পাশেই স্ত্রী ও তিন সন্তানের জন্য আরও চারটি কবর খুঁড়ছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীরা।

স্থানীয়রা জানান, পরিবারের বেশিরভাগ স্বজন ঢাকায় অবস্থান করায় গ্রামের বাড়িতে তেমন কেউ নেই। তাই দাফনের প্রস্তুতিতে এগিয়ে এসেছেন প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী। মরদেহগুলো পটুয়াখালীতে পৌঁছাতে রাত হতে পারে। শনিবার (১৬ মে) সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

ফতুল্লায় বিস্ফোরণ/ কালামের পাশেই শায়িত হবেন স্ত্রী ও তিন সন্তান, খোঁড়া হচ্ছে কবর

নিহতরা হলেন সায়মা, তার ছেলে মুন্না এবং দুই মেয়ে কথা ও মুন্নি। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের কর্তা মীর কালাম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোববার (১০ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধ হওয়ার পরদিন মারা যান মীর কালাম। এরপর একে একে মারা যায় তার তিন সন্তান। সবশেষ শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্ত্রী সায়মা। এর মধ্য দিয়ে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

নিহত মীর কালামের চাচাতো ভাই রফিক মিয়া বলেন, ‌‘কালাম পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকতেন। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। পরে একে একে তার সন্তানরা মারা যায়। আজ সকালে তার স্ত্রীও মারা গেছেন। মরদেহ এখনো পথে রয়েছে। রাতে পৌঁছাতে পারে।’

মাহমুদ হাসান রায়হান/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow