কিশোরীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছামিরুন আক্তার (১৩) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের পিটুয়ারকান্দি গ্রাম সংলগ্ন কালনী-কুশিয়ারা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ছামিরুন পিটুয়ারকান্দি গ্রামের মৃত নবী মিয়ার মেয়ে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ছামিরুন। পরিবারের সদস্যরা গত দু-দিন ধরে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে কালনী-কুশিয়ারা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কিশোরীর মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত ছামিরুনের প্রতিবেশী ময়না মিয়া জানান, পিতৃহীন ছামিরুনরা ছয় বোন ও এক ভাই। তাদের মা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। জীবিকার তাগিদে পরিবারের অন্য সদস্যরা সাধারণত ঢাকায় বসবাস করেন। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ছামিরুন গ্রামে বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু গত সোমবার রাত থেকে সে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউসুফ মিয়া জা
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছামিরুন আক্তার (১৩) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বদলপুর ইউনিয়নের পিটুয়ারকান্দি গ্রাম সংলগ্ন কালনী-কুশিয়ারা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ছামিরুন পিটুয়ারকান্দি গ্রামের মৃত নবী মিয়ার মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় ছামিরুন। পরিবারের সদস্যরা গত দু-দিন ধরে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে কালনী-কুশিয়ারা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কিশোরীর মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত ছামিরুনের প্রতিবেশী ময়না মিয়া জানান, পিতৃহীন ছামিরুনরা ছয় বোন ও এক ভাই। তাদের মা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন। জীবিকার তাগিদে পরিবারের অন্য সদস্যরা সাধারণত ঢাকায় বসবাস করেন। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ছামিরুন গ্রামে বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু গত সোমবার রাত থেকে সে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউসুফ মিয়া জানান, নিখোঁজের দুইদিন পর অত্যন্ত নৃশংসভাবে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এর পেছনে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
What's Your Reaction?