কৃষক হত্যায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৩
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কৃষক আক্তার হোসেন আবেদীন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোতালেব হোসেন সবুজপুর গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে এবং রশিদ জামাল মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় প্রধান আসামি মোতালেব হোসেন পলাতক ছিলেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল লতিফ, মো. সুরুজ মিয়া ও মো. আব্দুল হামেদ। তারা সবাই সবুজপুর গ্রামের বাসিন্দা। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সবুজপুর গ্রামে জমিজমা ও সামাজিক বিষয় নিয়ে আক্তার হোসেন আবেদীনের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জের ধরে ২০০৭ সালের ২২ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি মাদ্রাসার পাশে আবেদীনকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন আসামিরা। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছে হামলার বিবরণ দিয়ে যান। হাস
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে কৃষক আক্তার হোসেন আবেদীন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোতালেব হোসেন সবুজপুর গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে এবং রশিদ জামাল মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় প্রধান আসামি মোতালেব হোসেন পলাতক ছিলেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল লতিফ, মো. সুরুজ মিয়া ও মো. আব্দুল হামেদ। তারা সবাই সবুজপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সবুজপুর গ্রামে জমিজমা ও সামাজিক বিষয় নিয়ে আক্তার হোসেন আবেদীনের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জের ধরে ২০০৭ সালের ২২ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি মাদ্রাসার পাশে আবেদীনকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন আসামিরা।
আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছে হামলার বিবরণ দিয়ে যান। হাসপাতালে পৌঁছলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দিদারুল ইসলাম দিদার জানান, আসামি রশিদ জামাল ও খোরশেদ আলম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন।
What's Your Reaction?