ক্রিকেট বোর্ডকে সরে যেতে বলেছে শ্রীলঙ্কার সরকার

দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় অভিযুক্ত শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) বর্তমান কমিটিকে চলতি সপ্তাহের মধ্যে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বলেছে লঙ্কান সরকার। আজ বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বোর্ড পুনর্গঠনে নতুন প্রশাসনের পথ সুগম করতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসএলসি শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে ধনী ক্রীড়া সংস্থা হলেও দীর্ঘদিন ধরে এর শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের নানা অভিযোগ উঠছে। বর্তমানে বোর্ডটির নেতৃত্বে রয়েছেন চার মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করা শাম্মি সিলভা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, একজন সাবেক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকারের নেতৃত্বে শিগগিরই একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। জনগণের তীব্র অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে সরকারি হস্তক্ষেপের ইতিহাস অবশ্য নতুন নয়। বোর্ডে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে ২০২৩ সালের নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার সদস্যপদ স্থগিত করেছিল আইসিসি। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শেষে সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়। ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন কর

ক্রিকেট বোর্ডকে সরে যেতে বলেছে শ্রীলঙ্কার সরকার

দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় অভিযুক্ত শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) বর্তমান কমিটিকে চলতি সপ্তাহের মধ্যে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বলেছে লঙ্কান সরকার। আজ বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বোর্ড পুনর্গঠনে নতুন প্রশাসনের পথ সুগম করতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসএলসি শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে ধনী ক্রীড়া সংস্থা হলেও দীর্ঘদিন ধরে এর শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের নানা অভিযোগ উঠছে। বর্তমানে বোর্ডটির নেতৃত্বে রয়েছেন চার মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করা শাম্মি সিলভা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, একজন সাবেক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকারের নেতৃত্বে শিগগিরই একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। জনগণের তীব্র অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে সরকারি হস্তক্ষেপের ইতিহাস অবশ্য নতুন নয়। বোর্ডে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে ২০২৩ সালের নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার সদস্যপদ স্থগিত করেছিল আইসিসি। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শেষে সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করে শ্রীলঙ্কা। ঘরের মাঠে খেলা টুর্নামেন্টটিতে শ্রীলঙ্কা সুপার এইট থেকে বিদায় নিলে সমর্থকদের মধ্যে বোর্ডের আমূল পরিবর্তনের জোরালো দাবি ওঠে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow