খাওয়ার অনুপযোগী দাবি, মাটিচাপা দেওয়া হলো ২০ মণের খটক মাছ

‎পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিশালাকৃতির একটি ‘খটক’ মাছ (স্থানীয়ভাবে করাতি হাঙর নামে পরিচিত) নিয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২০ মণ ওজনের এই মাছটি প্রথমে কেজি প্রতি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও পরে এটি খাবার অনুপযোগী ঘোষণার পর পুলিশের অভিযানে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।‎‎জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে কাঁঠালিয়া উপজেলার আমুয়া মৎস্য বন্দরে জেলেদের জালে ধরা পড়ে বিশাল আকৃতির এই মাছ। পরে নিলামের মাধ্যমে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার মাছ বাজারের আড়তের ইজারাদার মো. মোস্তফা কামাল ও মো. হোসেন শরীফ যৌথভাবে প্রায় ৫ লাখ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন।‎‎বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মঠবাড়িয়া মাছ বাজারে মাছটি খণ্ডখণ্ড করে কেটে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি শুরু করা হয়। বিরল ও বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে বাজারে ভিড় করেন শতশত মানুষ। ‎‎তবে পরে মাছটি মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও খাবার অনুপযোগী বলে জানা গেলে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ব্যবসায়ীরা মাছ ফেলে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।‎পরবর্তীতে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাছটির অবশিষ্ট অংশে জীবাণুনাশক (হারপিক) প্রয়োগ করে মাট

খাওয়ার অনুপযোগী দাবি, মাটিচাপা দেওয়া হলো ২০ মণের খটক মাছ

‎পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিশালাকৃতির একটি ‘খটক’ মাছ (স্থানীয়ভাবে করাতি হাঙর নামে পরিচিত) নিয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২০ মণ ওজনের এই মাছটি প্রথমে কেজি প্রতি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও পরে এটি খাবার অনুপযোগী ঘোষণার পর পুলিশের অভিযানে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

‎জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে কাঁঠালিয়া উপজেলার আমুয়া মৎস্য বন্দরে জেলেদের জালে ধরা পড়ে বিশাল আকৃতির এই মাছ। পরে নিলামের মাধ্যমে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার মাছ বাজারের আড়তের ইজারাদার মো. মোস্তফা কামাল ও মো. হোসেন শরীফ যৌথভাবে প্রায় ৫ লাখ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন।

‎বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে মঠবাড়িয়া মাছ বাজারে মাছটি খণ্ডখণ্ড করে কেটে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি শুরু করা হয়। বিরল ও বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে বাজারে ভিড় করেন শতশত মানুষ।

২০ মণের ‘খটক’ মাছ বিক্রি ৮ লাখে বিক্রি, অভিযানে মাটিচাপা

‎তবে পরে মাছটি মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও খাবার অনুপযোগী বলে জানা গেলে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ব্যবসায়ীরা মাছ ফেলে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মাছটির অবশিষ্ট অংশে জীবাণুনাশক (হারপিক) প্রয়োগ করে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

‎এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা দেয়।

মো. তরিকুল ইসলাম/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow