খাগড়াছড়িতে গোলাগুলির পর অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের বাবুরাপাড়া ও করল্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় সশস্ত্র দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (২১ মে) এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ (মূল) ও জেএসএস (মূল) সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে খাগড়াছড়ি জোনের একটি সেনা টহল দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করে। সেনাবাহিনী জানায়, অভিযানের সময় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা টহল দলকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে সেনাসদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি চায়না রাইফেল, ২৭৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, দুটি এফসিসি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করে। ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় কোনো সেনাসদস্য হতাহত হননি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। খাগড়াছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খাদেমুল ইসলাম পিএসসি বলেন, খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাস
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের বাবুরাপাড়া ও করল্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় সশস্ত্র দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ (মূল) ও জেএসএস (মূল) সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে খাগড়াছড়ি জোনের একটি সেনা টহল দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করে।
সেনাবাহিনী জানায়, অভিযানের সময় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা টহল দলকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে সেনাসদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি চায়না রাইফেল, ২৭৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, দুটি এফসিসি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করে। ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় কোনো সেনাসদস্য হতাহত হননি এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
খাগড়াছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খাদেমুল ইসলাম পিএসসি বলেন, খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। জনসাধারণের নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সব জাতিগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
প্রবীর সুমন/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?