গণভোট না মানলে বিএনপি অগণতান্ত্রিক দল হিসেবেই থাকবে : মুজিবুর রহমান
যতদিন পর্যন্ত গণভোটের রায় মেনে না নেবে বিএনপি, ততদিন পর্যন্ত একটি অগণতান্ত্রিক দল হিসেবেই থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও এমপি মুজিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করার পর বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল বলা যায় না।’ শনিবার (০১ আগস্ট) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গণমিছিল পূর্বে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুজিবুর রহমান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দল হলো ওই দল, যে দল জনগণের মতামত মেনে নেয়। কিন্তু বিএনপি জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একটি অগণতান্ত্রিক দলে পরিণত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘রাজনীতি হতে হবে মানুষের কল্যাণে। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে দলীয়করণ।’ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জনগণের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জামায়াত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দাবি আদায়ে সংসদে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সংসদের লড়াই রাজপথে চলে আসবে। জনগণের ভাষা ও দাবি মেনে না চললে অতীতের স্বৈরাচা
যতদিন পর্যন্ত গণভোটের রায় মেনে না নেবে বিএনপি, ততদিন পর্যন্ত একটি অগণতান্ত্রিক দল হিসেবেই থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও এমপি মুজিবুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করার পর বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল বলা যায় না।’
শনিবার (০১ আগস্ট) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গণমিছিল পূর্বে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুজিবুর রহমান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক দল হলো ওই দল, যে দল জনগণের মতামত মেনে নেয়। কিন্তু বিএনপি জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একটি অগণতান্ত্রিক দলে পরিণত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘রাজনীতি হতে হবে মানুষের কল্যাণে। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে দলীয়করণ।’
মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জনগণের গণরায় বাস্তবায়নের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জামায়াত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দাবি আদায়ে সংসদে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সংসদের লড়াই রাজপথে চলে আসবে। জনগণের ভাষা ও দাবি মেনে না চললে অতীতের স্বৈরাচারী সরকারগুলোর মতোই বর্তমান সরকারকেও দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেন, ‘আজ এক ঐতিহাসিক দিন। ২০২৪ সালের আজকের এই দিনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল জুলাই আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় আওয়ামী লীগের সেই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর একমাত্র লক্ষ্য ছিল ছাত্র-জনতার আন্দোলন টিকিয়ে রেখে বিজয় নিশ্চিত করা।’
সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি সংসদে আদায় না হলে রাজপথে সমাধান হবে। জুলাই বিপ্লবে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হচ্ছে বিএনপি হলেও পরবর্তী জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা করেছে বিএনপি। সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন, জনগণকে বিভ্রান্ত ও ধোঁকা দেওয়ার আরেক প্রতারণা।’
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন, আব্দুল মান্নান ও মুহাম্মদ শামছুর রহমান, দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম প্রমুখ।
What's Your Reaction?