গাংনীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতার অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে হামলা
মেহেরপুরের গাংনীতে উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় এক জামায়াত নেতার অংশ গ্রহণকে কেন্দ্র করে সভাকক্ষে আক্রমণ করে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এমন ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। তবে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সেনাবাহিনী। আজ বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা মুহা. আলম হুসাইন আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় উপস্থিত হন। সভার মাঝামাঝি সময়ে দুপুর সোয়া একটার দিকে বিএনপির এক পক্ষের নেতার্মীরা আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে মিছিল নিয়ে সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন, গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস, বিএনপি ও জামায়াতের উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে সভা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। কেউ কেউ চেয়ার তুলে মারতে উদ্যেত হয়। তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি চলতে থাকে। সভায় গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্ত
মেহেরপুরের গাংনীতে উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় এক জামায়াত নেতার অংশ গ্রহণকে কেন্দ্র করে সভাকক্ষে আক্রমণ করে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এমন ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। তবে উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সেনাবাহিনী।
আজ বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা মুহা. আলম হুসাইন আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় উপস্থিত হন। সভার মাঝামাঝি সময়ে দুপুর সোয়া একটার দিকে বিএনপির এক পক্ষের নেতার্মীরা আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে মিছিল নিয়ে সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন, গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস, বিএনপি ও জামায়াতের উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে সভা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। কেউ কেউ চেয়ার তুলে মারতে উদ্যেত হয়। তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি চলতে থাকে। সভায় গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস, বিজিবি, র্যাবের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকলেও কার্যত কোন ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হন তারা। এসময় সেনাবাহিনীর একটি দল হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।
বিষয়টিকে ন্যাক্কারজনক আখ্যায়িত করেছেন সভায় উপস্থিত মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা নাজমুল হুদা। তিনি বলেন, এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করা হোক। আজ যা ঘটেছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে উদাহরণ হয়ে থাকবে।
What's Your Reaction?