গায়ের রং কালো হওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা, ১৯ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন
টাঙ্গাইলে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ১৯ বছর পর স্বামী মো. সোলায়মানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে স্পেশাল জজ দিলারা আলো চন্দনা এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সোলায়মান গালুটিয়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। স্পেশাল জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শাহজাহান কবির বলেন, সোলায়মানের স্ত্রী আয়শা খানমের গায়ের রং কালো হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে প্রতিনিয়ত ঝগড়া হতো। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে সোলায়মান তার স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুমের জন্য গালুটিয়া এলাকায় বাঁশঝাড়ে ফেলে দেন। পরদিন স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। এ ঘটনায় আয়শা খানমের মামা আদম আলী বাদি হয়ে ৬ মার্চ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বামী সোলায়মান, শ্বশুর আব্দুল বারেক, শাশুড়ি ও ভাশুরের নামে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে রায় ঘোষণা করেন। আব্দুল্লাহ আল নোমান/এমএন/এএসএম
টাঙ্গাইলে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ১৯ বছর পর স্বামী মো. সোলায়মানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে স্পেশাল জজ দিলারা আলো চন্দনা এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সোলায়মান গালুটিয়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন।
স্পেশাল জজ কোর্টের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) শাহজাহান কবির বলেন, সোলায়মানের স্ত্রী আয়শা খানমের গায়ের রং কালো হওয়ায় স্বামীর সঙ্গে প্রতিনিয়ত ঝগড়া হতো। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে সোলায়মান তার স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুমের জন্য গালুটিয়া এলাকায় বাঁশঝাড়ে ফেলে দেন। পরদিন স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
এ ঘটনায় আয়শা খানমের মামা আদম আলী বাদি হয়ে ৬ মার্চ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বামী সোলায়মান, শ্বশুর আব্দুল বারেক, শাশুড়ি ও ভাশুরের নামে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এমএন/এএসএম
What's Your Reaction?