গিনেস রেকর্ডসে নাম লেখালো বাংলাদেশের আড়ং

আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখালো বাংলাদেশের বৃহত্তম হস্তশিল্প ও ফ্যাশন ব্র্যান্ড আড়ং। আড়ং ধানমন্ডির ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের দৈর্ঘ্য, বৈচিত্র্য ও কারুশিল্প তাদের এই স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। ধানমন্ডি আড়ং এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হস্তশিল্প পণ্যের দোকান। আজ (৮ মার্চ) রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের এ অর্জনের কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে আড়ং। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ নিজেদের আঙিনায় স্থাপন করেছে তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পী ও আড়ং-এর পরিচালকবৃন্দ। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড এবং ব্র্যাকের একটি সামাজিক উদ্যোগ আড়ং। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনে ‘আনন্দলোকে’ গানটি গেয়ে শোনায় আরমিন মুসা এবং ঘাসফোড়িং কয়ার। আড়ংয়ের এ অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, ‘এটি একটি রেকর্ডের চেয়েও বেশি কিছু, এটি কারুশিল্পের নেপথ্যের হাতগুলো স্বীকৃতি। যখন আমরা কারুশিল্পকে সম্মান করি, তখন আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে রক্ষা করি — আর যখন এর জন্য নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করি, তখন অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পথও প্রসারিত হয়। এই

গিনেস রেকর্ডসে নাম লেখালো বাংলাদেশের আড়ং

আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখালো বাংলাদেশের বৃহত্তম হস্তশিল্প ও ফ্যাশন ব্র্যান্ড আড়ং। আড়ং ধানমন্ডির ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের দৈর্ঘ্য, বৈচিত্র্য ও কারুশিল্প তাদের এই স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। ধানমন্ডি আড়ং এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হস্তশিল্প পণ্যের দোকান।

আজ (৮ মার্চ) রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের এ অর্জনের কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে আড়ং। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ নিজেদের আঙিনায় স্থাপন করেছে তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পী ও আড়ং-এর পরিচালকবৃন্দ।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড এবং ব্র্যাকের একটি সামাজিক উদ্যোগ আড়ং। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনে ‘আনন্দলোকে’ গানটি গেয়ে শোনায় আরমিন মুসা এবং ঘাসফোড়িং কয়ার। আড়ংয়ের এ অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, ‘এটি একটি রেকর্ডের চেয়েও বেশি কিছু, এটি কারুশিল্পের নেপথ্যের হাতগুলো স্বীকৃতি। যখন আমরা কারুশিল্পকে সম্মান করি, তখন আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে রক্ষা করি — আর যখন এর জন্য নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করি, তখন অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পথও প্রসারিত হয়। এই অর্জন উদযাপন করে সেই সব কারুশিল্পীদের, যাদের দক্ষতা সম্প্রদায়কে টিকিয়ে রাখে এবং ঐতিহ্যকে রূপ দেয় জীবিকা ও মর্যাদায়।’

উৎসব, উপহার এবং উদযাপনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে রয়েছে আড়ংয়ের নাম। প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ বিস্ময়কর যাত্রা আড়ং ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি। সেখানে রয়েছে হস্তশিল্প স্থাপনা, যেসবের মধ্যে সাঁওতাল গাঁও, প্রায় ১০০ কুমার পরিবারের হাতে তৈরি একটি স্মারক মৃৎশিল্প স্থাপনা এবং দ্য গ্রেট এরিনা, একটি ৪৪ ফুট নকশিকাঁথা, যা ছয় মাস ধরে ২৫০ জন কারিগর তৈরি করেছেন, সূচিকর্ম ঐতিহ্যের একটি স্মারক শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে চার তলা জুড়ে মেলে ধরা হয়েছে।

আরএমডি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow