গ্রামবাসীর উদারতায় মায়ের কোলে ফিরলো মেছোবিড়ালের দুই শাবক

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের হুলিয়ামারী গ্রামে উদ্ধার হওয়া বিপন্ন প্রাণী মেছোবিড়ালের দুটি শাবককে নিরাপদে তাদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্যরা। সচেতনতা ও ধৈর্যের কারণে শাবক দুটি নিরাপদে ফিরে যাওয়ার ঘটনাটি এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে গ্রামের ঈদগাহ সংলগ্ন একটি বাঁশবাগানে কাজ করার সময় স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজ বাঘের শাবকের মতো দেখতে দুটি বাচ্চা দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথমে অনেকেই সেগুলোকে বাঘের শাবক মনে করলেও পরে কেউ প্রাণীগুলোকে স্পর্শ না করে তাদের মায়ের জন্য অপেক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। পরে মিরাজ বিষয়টি বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচার ইনিশিয়েটিভের সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের প্রাণিবিদ্যার প্রভাষক আহসান হাবিব শিপলুকে জানান। তার পরামর্শে সবাই নিরাপদ দূরত্বে থেকে শাবক দুটির ওপর নজরদারি করেন। কিছুক্ষণ পর মা মেছোবিড়াল এসে একটি শাবককে নিয়ে যায়। তবে অপর শাবকটিকে নিতে দেরি হওয়ায় সবাই অপেক্ষায় থাকেন। অবশেষে রাত ৯টার দিকে মা মেছোবিড়াল ফিরে এসে দ্বিতীয় শাবকটিকেও নিয়ে যায়। আহসান

গ্রামবাসীর উদারতায় মায়ের কোলে ফিরলো মেছোবিড়ালের দুই শাবক

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের হুলিয়ামারী গ্রামে উদ্ধার হওয়া বিপন্ন প্রাণী মেছোবিড়ালের দুটি শাবককে নিরাপদে তাদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্যরা। সচেতনতা ও ধৈর্যের কারণে শাবক দুটি নিরাপদে ফিরে যাওয়ার ঘটনাটি এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে গ্রামের ঈদগাহ সংলগ্ন একটি বাঁশবাগানে কাজ করার সময় স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজ বাঘের শাবকের মতো দেখতে দুটি বাচ্চা দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথমে অনেকেই সেগুলোকে বাঘের শাবক মনে করলেও পরে কেউ প্রাণীগুলোকে স্পর্শ না করে তাদের মায়ের জন্য অপেক্ষার সিদ্ধান্ত নেন।

পরে মিরাজ বিষয়টি বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচার ইনিশিয়েটিভের সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের প্রাণিবিদ্যার প্রভাষক আহসান হাবিব শিপলুকে জানান। তার পরামর্শে সবাই নিরাপদ দূরত্বে থেকে শাবক দুটির ওপর নজরদারি করেন।

কিছুক্ষণ পর মা মেছোবিড়াল এসে একটি শাবককে নিয়ে যায়। তবে অপর শাবকটিকে নিতে দেরি হওয়ায় সবাই অপেক্ষায় থাকেন। অবশেষে রাত ৯টার দিকে মা মেছোবিড়াল ফিরে এসে দ্বিতীয় শাবকটিকেও নিয়ে যায়।

আহসান হাবিব শিপলু বলেন, মেছোবিড়াল একটি বিপন্ন ও সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী। স্থানীয়ভাবে এটি বাঘডাশা বা বাঘরোল নামে পরিচিত। এটি কৃষকের বন্ধু হিসেবে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফসল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।


হুসাইন মালিক/এফএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow