পরীক্ষায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাবে শুধু সেরোটোনিন বেশি তৈরি হচ্ছিল তা নয়; বরং শরীর সেটিকে দ্রুত শোষণ করতেও পারছিল না। ফলে পাকস্থলী এই রাসায়নিকের মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।
পরীক্ষায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাবে শুধু সেরোটোনিন বেশি তৈরি হচ্ছিল তা নয়; বরং শরীর সেটিকে দ্রুত শোষণ করতেও পারছিল না। ফলে পাকস্থলী এই রাসায়নিকের মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।