চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণ, দগ্ধ চারজনকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকায় একটি বাসায় বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। বাকি পাঁচজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ঢাকায় পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন।  তিনি বলেন, ৯ জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা স্বজনদের বলেছি সবাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হবে। আপাতত চারজনকে পাঠানো হচ্ছে।  সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকে এসি মসজিদসংলগ্ন হালিমা মঞ্জিল নামে এক ভবনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে জমে পরবর্তীতে আগুনের সংস্পর্শে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে আটজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪) ও পাখি আক্তার (৩৫)। আহত সবাইকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ফায়া

চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণ, দগ্ধ চারজনকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকায় একটি বাসায় বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। বাকি পাঁচজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে ঢাকায় পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন। 

তিনি বলেন, ৯ জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা স্বজনদের বলেছি সবাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হবে। আপাতত চারজনকে পাঠানো হচ্ছে। 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকে এসি মসজিদসংলগ্ন হালিমা মঞ্জিল নামে এক ভবনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে জমে পরবর্তীতে আগুনের সংস্পর্শে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে আটজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪) ও পাখি আক্তার (৩৫)। আহত সবাইকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের পরপরই ফ্ল্যাটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন জানান, ওই বাসায় কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লাইনের গ্যাস সংযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে রান্নাঘরে জমে ছিল। পরে কোনোভাবে আগুনের সংস্পর্শে এসে সেই জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ ঘটে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow