চট্টগ্রামে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বসন্তবরণ

কচি পাতার সবুজ রঙ আর পলাশ-শিমুলের লাল আভায় ঋতু পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে চট্টগ্রামে বসন্তকে বরণ করা হয়েছে নাচ, গান, আবৃত্তি ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। আয়োজকরা বলছেন, উৎসবের মধ্য দিয়েই বাঁচিয়ে রাখতে হবে বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরের শহীদ ওয়াসিম পার্কে ‘বসন্ত উৎসব’ আয়োজন করে বোধন আবৃত্তি পরিষদ। ‘নিবিড় অন্তরতর বসন্ত এলো প্রাণে’ প্রতিপাদ্যে সকাল ৯টায় যন্ত্রসংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উৎসবের ‘বসন্ত কথন’ পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রকৃতির নিজস্ব নিয়মে ফাল্গুন বারবার ফিরে আসে, আর এই উৎসব সেই আগমনকে অর্থবহ করে তোলে। তিনি বলেন, আমাদের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে চাই। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন/ছবি: জাগো নিউজ অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, কথামালা, ঢোলবাদন ও দলীয় পরিবেশনা স্থান পায়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের শিল্পীরা দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন। দলীয় ও

চট্টগ্রামে নাচ-গান-আবৃত্তিতে বসন্তবরণ

কচি পাতার সবুজ রঙ আর পলাশ-শিমুলের লাল আভায় ঋতু পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে চট্টগ্রামে বসন্তকে বরণ করা হয়েছে নাচ, গান, আবৃত্তি ও শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। আয়োজকরা বলছেন, উৎসবের মধ্য দিয়েই বাঁচিয়ে রাখতে হবে বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরের শহীদ ওয়াসিম পার্কে ‘বসন্ত উৎসব’ আয়োজন করে বোধন আবৃত্তি পরিষদ। ‘নিবিড় অন্তরতর বসন্ত এলো প্রাণে’ প্রতিপাদ্যে সকাল ৯টায় যন্ত্রসংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

উৎসবের ‘বসন্ত কথন’ পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রকৃতির নিজস্ব নিয়মে ফাল্গুন বারবার ফিরে আসে, আর এই উৎসব সেই আগমনকে অর্থবহ করে তোলে। তিনি বলেন, আমাদের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে চাই।

jagonews24.comঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন/ছবি: জাগো নিউজ

অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, কথামালা, ঢোলবাদন ও দলীয় পরিবেশনা স্থান পায়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের শিল্পীরা দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন। দলীয় ও একক সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি আবৃত্তিশিল্পীরা কবিতায় ফুটিয়ে তোলেন ঋতুর আবহ।

মধ্যপর্বে আয়োজক সংগঠনের নেতারা বসন্ত ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য দেন। পরে আবৃত্তি ও সংগীতের ধারাবাহিক পরিবেশনা চলে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। হলুদ, কমলা ও লাল রঙের পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে পার্ক এলাকা বসন্তের উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ নেয়।

এমআরএএইচ/এমএমকে

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow