চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে পানিবন্দি ২০০ পরিবার
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি উপজেলার বহু মানুষ পানিবন্দি। এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে এসব উপজেলায়। এমন অবস্থায় বোয়ালখালী পৌরসভার পানিবন্দি অন্তত ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে পৌর প্রশাসন। রোববার (১২ জুলাই) পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডাল, তেল, মুড়ি, চিড়া ও বিস্কুটসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা। ত্রাণ পাওয়া রহিমা বেগম জানান, তার একমাত্র ছেলে মো. সাইফুদ্দিন রিকশাচালক। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে তিনি রিকশা নিয়ে বের হতে পারেননি। এর মধ্যে জ্বর-সর্দিতেও আক্রান্ত হওয়ায় সংসারের আয় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসা করাতে গিয়ে হাতে থাকা সামান্য সঞ্চয়ও শেষ হয়ে গেছে। আরও পড়ুন কেউ ছেড়েছেন ঘর, কেউ পানিবন্দি রহিমা বেগম বলেন, অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে। উঠানের পানি নামছে না, রাস্তাঘাট ডুবে আছে। ঘরে রান্নার মতো কিছুই ছিল না। পৌর প্রশাসক নিজে এসে খোঁজ নিয়েছেন এবং চাল, ডাল, তেল, মুড়ি, বিস্কুট ও চিড়া দিয়ে গেছেন। কয়েক দিন চলতে পারবো। পৌর প্রশাসক ক
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি উপজেলার বহু মানুষ পানিবন্দি। এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে এসব উপজেলায়। এমন অবস্থায় বোয়ালখালী পৌরসভার পানিবন্দি অন্তত ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে পৌর প্রশাসন।
রোববার (১২ জুলাই) পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল, ডাল, তেল, মুড়ি, চিড়া ও বিস্কুটসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা।
ত্রাণ পাওয়া রহিমা বেগম জানান, তার একমাত্র ছেলে মো. সাইফুদ্দিন রিকশাচালক। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে তিনি রিকশা নিয়ে বের হতে পারেননি। এর মধ্যে জ্বর-সর্দিতেও আক্রান্ত হওয়ায় সংসারের আয় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। চিকিৎসা করাতে গিয়ে হাতে থাকা সামান্য সঞ্চয়ও শেষ হয়ে গেছে।

কেউ ছেড়েছেন ঘর, কেউ পানিবন্দি
রহিমা বেগম বলেন, অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে। উঠানের পানি নামছে না, রাস্তাঘাট ডুবে আছে। ঘরে রান্নার মতো কিছুই ছিল না। পৌর প্রশাসক নিজে এসে খোঁজ নিয়েছেন এবং চাল, ডাল, তেল, মুড়ি, বিস্কুট ও চিড়া দিয়ে গেছেন। কয়েক দিন চলতে পারবো।
পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা বলেন, ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে পৌর এলাকার অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে দ্রুত খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গত বুধবার থেকে প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোনো পরিবার খাদ্য সংকটে রয়েছে এমন তথ্য পাওয়া মাত্রই তাদের কাছেও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এমআরএএইচ/এসএনআর
What's Your Reaction?