চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, অবরুদ্ধ ৪০ পরিবার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার একটি গ্রামে বহু বছরের ব্যবহৃত একমাত্র চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক, চাকরিজীবী, নারী, শিশু ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০টি পরিবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনাটি উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে প্রতিকার না পেয়ে বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও নুসরাত জাহান। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর গ্রামের মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৪০টি পরিবার বংশপরম্পরায় বসবাস করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ঈদগাহ মাঠের পাশের এই পথ ব্যবহার করে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে আসছেন। একই পথ ব্যবহার করে স্থানীয় মুসল্লিরা মনোহরপুর জামে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ওই চলাচলের পথেই ঈদগাহ ম

চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর, অবরুদ্ধ ৪০ পরিবার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার একটি গ্রামে বহু বছরের ব্যবহৃত একমাত্র চলাচলের পথে ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক, চাকরিজীবী, নারী, শিশু ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০টি পরিবার কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ঘটনাটি উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়।

এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে প্রতিকার না পেয়ে বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও নুসরাত জাহান।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনোহরপুর গ্রামের মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৪০টি পরিবার বংশপরম্পরায় বসবাস করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ঈদগাহ মাঠের পাশের এই পথ ব্যবহার করে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে আসছেন। একই পথ ব্যবহার করে স্থানীয় মুসল্লিরা মনোহরপুর জামে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ওই চলাচলের পথেই ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় তাদের একমাত্র যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পরিবারগুলোকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে গ্রামের একজন প্রধান মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ওই পরিবারগুলোর চলাচলের জন্য বিকল্প একটি রাস্তা রয়েছে। তারা ওই পথ ব্যবহার করতে পারবেন।’

অন্যদিকে, ভুক্তভোগীদের দাবি, বিকল্প হিসেবে দেখানো পথটি অত্যন্ত সরু। সেখানে একজন মানুষের স্বাভাবিকভাবে চলাচল করাও কষ্টকর। কৃষিপণ্য বা জরুরি প্রয়োজনে কোনো যানবাহনও চলাচল করতে পারে না।

ভুক্তভোগী শাহ আলম প্রামাণিক, জমিনা খাতুন, লাইলী খাতুনসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ‘ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণ হোক, সেটি আমরাও চাই। কিন্তু আমাদের দীর্ঘদিনের একমাত্র চলাচলের পথ বন্ধ করে দিলে আমরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ব। এই পথে চলাচল বন্ধ হলে আমাদের সন্তানরা স্কুলে যেতে পারবে না, অসুস্থ রোগীও দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে না। তাই ৪০টি পরিবারের স্বাক্ষরসংবলিত একটি লিখিত অভিযোগ ইউএনওর কাছে জমা দিয়েছি।’

এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান কালবেলাকে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow