চাঁদার দাবিতে বিয়েবাড়িতে হামলা, আহত ৩
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বরের বাবা, ভাই ও জেঠাসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন— ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবু লাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশ্ববর্তী এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মহন (২৫) এর নেতৃত্বে আল আমিনের ছেলে আরমান (১৮), বারেক বকাউলের ছেলে আবির হোসেন (১৬) ও জিসানসহ (১৮) কয়েকজন অনুষ্ঠানে এসে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা ৩০ হাজার টাকায় নেমে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আয়োজক পক্ষ তিন হাজার টাকা দিলে তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে বরের পিতা বাবু লাল বিশ্বাস ও জেঠা ত্রিনাদ বিশ্বাসকে মারধর করে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর ও আশেপাশে বাড়িরঘরে হামালা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বরের বাবা, ভাই ও জেঠাসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামের নমপাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ত্রিনাথ বিশ্বাস (৩২), বাবুলাল বিশ্বাস (৬০) ও বৃজন রানী (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়েরকান্দি গ্রামের জীবন চন্দ্র দাসের বাড়িতে বাবু লাল বিশ্বাসের ছেলে সেম্বু নাথের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় পাশ্ববর্তী এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে মহন (২৫) এর নেতৃত্বে আল আমিনের ছেলে আরমান (১৮), বারেক বকাউলের ছেলে আবির হোসেন (১৬) ও জিসানসহ (১৮) কয়েকজন অনুষ্ঠানে এসে প্রথমে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে তারা ৩০ হাজার টাকায় নেমে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আয়োজক পক্ষ তিন হাজার টাকা দিলে তারা তাতে সন্তুষ্ট হয়নি। একপর্যায়ে তারা হামলা চালিয়ে বরের পিতা বাবু লাল বিশ্বাস ও জেঠা ত্রিনাদ বিশ্বাসকে মারধর করে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর ও আশেপাশে বাড়িরঘরে হামালা করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন।
আহত ত্রিনাথ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, আমরা প্রবাসে থাকি। ভাইয়ের বিয়েতে দেশে এসেছি। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছিল। আমরা কেরাম খেলছিলাম। তখন কিশোর গ্যাং এসে হামলা চালায়। আমার গলার স্বর্ণের চেইন এবং ছোট ভাইয়ের গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। হামলায় আমার মাথা ফেটে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ বিশ্বাস ও জীবনকৃষ্ণ সরকার বলেন, বিয়েবাড়িতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় আমরা আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম মোল্লা বলেন, ঘটনার সময় আমরা তারাবির নামাজে ছিলাম। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানাই। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমিও পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মতলব উত্তর থানার ওসি প্রদীপ মন্ডল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওসি প্রদীপ মন্ডল আরও বলেন, এ ধরনের চাঁদাবাজি বা সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
What's Your Reaction?