চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে মো. সালাম নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সালাম দামুড়হুদা কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তাকে অপহরণ করে আসামি সালাম। পরবর্তীতে ভিকটিমকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশীদ। সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইনের ৭ ধারায় তাকে ১

চুয়াডাঙ্গায় ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে মো. সালাম নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সালাম দামুড়হুদা কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তাকে অপহরণ করে আসামি সালাম। পরবর্তীতে ভিকটিমকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ভুয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশীদ।

সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আইনের ৭ ধারায় তাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন, উভয় সাজা পর্যায়ক্রমে কার্যকর হবে।

ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এম শাহজাহান মুকুল বলেন, বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপটে ধর্ষণের যে প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এ রায় তা রোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা এ রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট এবং আশা করি এর মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। এ রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ রায়ে খুশি রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগী পরিবার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow