চ্যালেঞ্জ নেই, কাজ দিয়েই নিজেদের প্রমাণ করছেন তারা
পুলিশ বাহিনীতে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে চলেছেন নারীরা। তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করছেন বিভিন্ন দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে ঊর্ধ্বতন পদেও পদোন্নতি পাচ্ছেন। কোনো চ্যালেঞ্জ নয়, নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই প্রমাণ করছেন তারা। বাংলাদেশ পুলিশে মাঠ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ পুলিশ সুপার (এসপি)। একজন এসপি জেলা পুলিশের সর্বেসর্বা। বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে চারটি জেলায় আছেন নারী পুলিশ সুপার। তারা হলেন- জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা, শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন এবং জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন। এর মধ্যে তিনজন সামলিয়েছেন সদ্য শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মতো বড় দায়িত্ব। এছাড়া মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণের পর মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার অর্জন করেছেন একজন নারী পুলিশ সুপার। কনস্টেবল ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে মাত্র ১৪ জনকে নিয়ে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নারীর যাত্রা শুরু। সময়ের পরিবর্তনে ২০২৬ সালে এসে সেই সংখ্যা এখন ১৭ হাজার ৯৮৮ জনে। নারী পুলিশ সদস্যরা এখন দায়িত্ব পালন করছেন উচ্চ পর্যায়েও। এ মু
পুলিশ বাহিনীতে পুরুষদের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে চলেছেন নারীরা। তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করছেন বিভিন্ন দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে ঊর্ধ্বতন পদেও পদোন্নতি পাচ্ছেন। কোনো চ্যালেঞ্জ নয়, নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই প্রমাণ করছেন তারা।
বাংলাদেশ পুলিশে মাঠ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ পুলিশ সুপার (এসপি)। একজন এসপি জেলা পুলিশের সর্বেসর্বা। বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে চারটি জেলায় আছেন নারী পুলিশ সুপার।
তারা হলেন- জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা, শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন এবং জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন।
এর মধ্যে তিনজন সামলিয়েছেন সদ্য শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মতো বড় দায়িত্ব। এছাড়া মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণের পর মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার অর্জন করেছেন একজন নারী পুলিশ সুপার।
কনস্টেবল ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে মাত্র ১৪ জনকে নিয়ে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নারীর যাত্রা শুরু। সময়ের পরিবর্তনে ২০২৬ সালে এসে সেই সংখ্যা এখন ১৭ হাজার ৯৮৮ জনে। নারী পুলিশ সদস্যরা এখন দায়িত্ব পালন করছেন উচ্চ পর্যায়েও। এ মুহূর্তে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে কর্মরত আছেন বেশ কয়েকজন নারী। অতীতে অলংকৃত করেছেন অতিরিক্ত আইজিপির পদও।
বাংলাদেশ পুলিশে নারী সদস্য
ডিআইজি চারজন, অতিরিক্ত ডিআইজি ৩৮, পুলিশ সুপার ৭৯, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ১৩৪, সহকারী পুলিশ সুপার ৫৭, ইন্সপেক্টর ১৩০, এসআই ৯৯৩, সার্জেন্ট ৯৩, এএসআই ১ হাজার ৪৩৪, এটিএসআই ১৬, এএসআই (সশস্ত্র) ১৬৭, নায়েক ৪৯৫ ও কনস্টেবল রয়েছেন ১৪ হাজার ৩৪৮ জন নারী।
পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, বাংলাদেশ পুলিশে মোট জনবল এক লাখ ৯৮ হাজার ৮০৪ জন। এর মধ্যে নারী পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৮৮ জন। এক্ষেত্রে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ নারী।
জানা যায়, জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর কল সেবা সেন্টারের ৮০ শতাংশ সদস্যই নারী। সারাদেশের ৯টি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার এবং ৫৫৯টি থানার বেশিরভাগ নারী ও শিশু ডেস্ক পরিচালনা করছেন পুলিশের নারী সদস্যরা। এপিবিএন-১১ তে কর্মরত পুলিশের সব সদস্যই নারী।
নারীর এ অগ্রযাত্রার পথ একেবারে সহজ ছিল না। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পারিবারিক নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের। নারী পুলিশ সদস্যদের সমস্যাগুলো সম্পর্কে এক শ্রেণির পুরুষ কর্মকর্তার অসংবেদনশীলতা এ সমস্যা আরও প্রকট করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এ সমস্যা নেই বললেই চলে। পুলিশের নারী সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই কাজ করছেন বাহিনীতে। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা থেকে শুরু করে চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটনও করছেন তারা।
আরও পড়ুন
দেশে দেশে প্রথা ভাঙা নারী তারকারা
‘সমাজটা নারীবান্ধব হতে হতে থেমে গেছে’
সর্বোচ্চ সংখ্যক ডিসি ও সচিব এখন নারী
মেধা, যোগ্যতা, সাহসিকতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে কাজ করছেন পুলিশের নারী সদস্যরা। সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ, দুর্ধর্ষ আসামি গ্রেফতার, জলদস্যু দমন ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধেও অভিযানে অংশ নিচ্ছেন তারা। দায়িত্ব পালনকালে জীবনও বিলিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ।
অগ্রিম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মোকাবিলায়ও রাখছেন অবদান। কাজ করছেন নারী নির্যাতন, পাচার ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, একতরফা তালাকের ক্ষেত্রে দেনমোহর ও খোরপোষ আদায় এবং যৌতুকসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও নারী পুলিশ সদস্যদের এখন দেখা যায় সরব ভূমিকায়।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছেন নারী পুলিশ সদস্যরা। সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে। ২০১০ সাল থেকে কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন পরিচালনা করছেন বাংলাদেশের নারী পুলিশ। সেখানে এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার নারী পুলিশ সদস্য কৃতিত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন।
জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা
গত বছরের ৩০ নভেম্বর জয়পুরহাটের প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন মিনা মাহমুদা। তিনি ২৫তম বিসিএসের কর্মকর্তা। ২০০৬ সালে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। মিনা মাহমুদা এর আগে মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ও নৌ-পুলিশসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কাজ করেছিলেন।
পেশাগত কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে মিনা মাহমুদা জাগো নিউজকে বলেন, ‘পেশাগত জীবনে নারী হিসেবে কোনো বিশেষ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হইনি, বরং কাজের মাধ্যমেই মানুষের আস্থা অর্জন করেছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রথম দিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা দ্বিধা ছিল যে, একজন নারী হিসেবে তিনি জেলা সামলাতে পারবেন কি না। একজন আমাকে বলেছিল, প্রথম যখন নারী পুলিশ সুপারের কথা শুনলাম, তখন একটু চিন্তায় ছিলাম। পরে দেখলাম আপনি তো অনেক ভালো করছেন।’ জনগণের এই পরিবর্তনশীল মনোভাবই তার কাজের বড় সার্থকতা বলে মনে করেন মিনা মাহমুদা।
আলোচিত ‘আছিয়া মামলা’ ও পিপিএম অর্জন
মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন আলোচিত ‘আছিয়া মামলা’ অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে হ্যান্ডেল করেছেন তিনি। এই বড় ঘটনাটি অত্যন্ত সম্মানজনকভাবে শেষ করতে পারায় তাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম (প্রেসিডেন্টস পুলিশ মেডেল) পদক দেওয়া হয়। তিনি জানান, গত বছর যখন এই পদক দেওয়া হয়, তখন সারা দেশে মোট ৬২ জন পিপিএম পেয়েছিলেন। এর মধ্যে ৬১ জনই ছিলেন পুরুষ এবং একমাত্র নারী হিসেবে তিনি এ গৌরব অর্জন করেন।
সব চ্যালেঞ্জেই সফল নারী হিসেবে আলাদা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে কোনো রকম ঝামেলা ফেস করিনি। আমার মনে হয়েছে যে কোনো চ্যালেঞ্জ আলহামদুলিল্লাহ খুব সম্মানজনকভাবেই সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। কাজের প্রতি একাগ্রতা থাকলে নারী কিংবা পুরুষ কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।’
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন
হবিগঞ্জ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে গত বছরের ২৯ নভেম্বর যোগ দেন মোছা. ইয়াছমিন খাতুন। ২০০৬ সালে ২৫তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের একজন কর্মকর্তা তিনি।
এর আগে ইয়াছমিন খাতুন মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে তিনি অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
কর্মক্ষেত্রে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, ‘পেশাদারত্বে নারী-পুরুষ সমান। একজন পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তা যেভাবে তার দায়িত্ব পালন করেন, তিনি নিজেও সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন।’ তার মতে, নারী হিসেবে আলাদা কোনো চ্যালেঞ্জ তার কাছে কখনো মনে হয়নি। তবে একজন নারী হিসেবে কর্মক্ষেত্র এবং সংসার-উভয় দিক সামলানো একটি ব্যক্তিগত সমন্বয়ের বিষয় হলেও পেশাগত জায়গায় তিনি নিজেকে একজন কর্মকর্তারূপেই দেখেন।
নারী ভিকটিমদের জন্য ‘বাড়তি সুবিধা’
এসপি জানান, নারী পুলিশ সুপার হওয়ার কিছু বাড়তি সুবিধাও রয়েছে। বিশেষ করে নারী ভিকটিম বা সাহায্যপ্রার্থীরা যখন কোনো সমস্যায় পড়েন, তারা পুরুষ কর্মকর্তাদের কাছে অনেক কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। কিন্তু একজন নারী কর্মকর্তার কাছে তারা মন খুলে সমস্যার কথা বলতে পারেন, যা দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে।
কাজের মাধ্যমেই জনগণের আস্থা পূর্বতন কর্মস্থল মানিকগঞ্জে তিনি ছিলেন জেলার প্রথম নারী এসপি, আর বর্তমানে হবিগঞ্জে তিনি দ্বিতীয় নারী এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি লক্ষ্য করেছেন, সাধারণ মানুষ বা তার অধীনস্থ পুলিশ সদস্যরা তাকে আলাদাভাবে দেখেননি। বরং তার কাজের মাধ্যমেই সবাই বুঝতে পেরেছে যে পুলিশ সুপার হিসেবে নারী বা পুরুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন আরও বলেন, ‘যোগ্যতাই মূল মাপকাঠি। পুলিশে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে লিঙ্গ পরিচয়ের চেয়ে বুদ্ধিদীপ্ততা, পেশাদারত্ব, দক্ষতা ও সঠিক সময়ে দৃঢ় অবস্থান (স্ট্যান্ড) নেওয়ার ক্ষমতাই বড় গুণ। যার মধ্যে এই গুণগুলো থাকবে, তিনি নারী বা পুরুষ যেই হোন না কেন, সফলভাবে কাজ করতে পারবেন।’
বর্তমানে দেশের মাত্র চারটি জেলায় নারী পুলিশ সুপার দায়িত্ব পালন করছেন। এই সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত কি না, এমন প্রশ্নে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এ যাবত নারী সদস্যরা অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আরও বেশি জেলায় নারীদের দায়িত্ব দিলে সাধারণ মানুষ আরও ভালো সেবা পাবে ইনশাআল্লাহ।’
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান
শরীয়তপুরে প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে গত বছরের ২৯ নভেম্বর যোগ দেন রওনক জাহান। তিনি ২৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ২০০৮ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।
এর আগে রওনক জাহান যশোর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার এবং জেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসপি রওনক জাহান নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার সাতপাই এলাকার বাসিন্দা।
জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন
ডিএমপির উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনকে জামালপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় গত ৪ মার্চ। তবে ফারহানা ইয়াসমিন বর্তমানে দেশের বাইরে একটি ট্রেনিংয়ে আছেন। দেশে ফিরে তিনি জামালপুর জেলার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা যায়।
ফারহানা ইয়াসমিন ২৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন তিনি।
টিটি/এএসএ/এমএফএ
What's Your Reaction?