ছাত্রের পায়ে গুলি করা সেই প্রভাষকের ২১ বছর কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে আরাফাত আমিন তমাল নামে এক শিক্ষার্থীর পায়ে গুলি করা শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের সেই প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফকে ২১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে অবৈধভাবে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় ১৪ বছর এবং ১৯ (এফ) ধারায় আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন।
সাজার আদেশপ্রাপ্ত রায়হান শরীফ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক পদে কর্মরত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লখ্য, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ বিকেলে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে শ্রেণিকক্ষে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার সময় তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন ওই কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফ। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডা. রায়হান শরীফকে আটক করে এবং তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগজিন, ৮১ রাউন্ড গুলি, দুটি বিদেশী ছোরা, ১০টি বার্মিজ
সিরাজগঞ্জে আরাফাত আমিন তমাল নামে এক শিক্ষার্থীর পায়ে গুলি করা শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের সেই প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফকে ২১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে অবৈধভাবে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় ১৪ বছর এবং ১৯ (এফ) ধারায় আরও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন।
সাজার আদেশপ্রাপ্ত রায়হান শরীফ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক পদে কর্মরত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লখ্য, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ বিকেলে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে শ্রেণিকক্ষে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার সময় তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন ওই কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফ। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডা. রায়হান শরীফকে আটক করে এবং তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগজিন, ৮১ রাউন্ড গুলি, দুটি বিদেশী ছোরা, ১০টি বার্মিজ চাকুসহ একাধিক অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল্লাহ আল-আমিন বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা ও গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে অপর একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামির উপস্থিতিতে বিচারক আজ এই রায় প্রদান করেন।
বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, ডা. রায়হান শরীফ একজন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি এবং একটি স্বনামধন্য মেডিকেল কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তিনি পেশাগত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি অস্ত্র হেফাজতে রাখতেন এবং নিয়মিত কর্মস্থলে এসব অস্ত্র বহণ করতেন। ওই অস্ত্র দিয়ে তিনি নিরীহ ছাত্র আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন। তিনি রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন। অস্ত্র বহণ করা তার পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।
রায়হান শরীফ ছাত্রজীবন থেকেই সশস্ত্র ক্যাডার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও সেই ধারা অব্যাহত রাখেন। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি সমাজ, বাবা-মা কিংবা সহকর্মীদের ওপর চড়াও হতে বা হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করতেন না।