জিতেও বিদায় টটেনহ্যামের, হেরেও কোয়ার্টারে অ্যাটলেটিকো

প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে হারের খেসারতই দিতে হলো টটেনহ্যাম হটস্পারকে। বুধবার ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-২ গোলে হারিয়েও শেষ ষোলো থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হলো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবটিকে। কারণ, দুই লেগ মিলে টটেনহ্যামকে ৭-৫ ব্যবধানে হারিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। প্রথম লেগে মাদ্রিদে ৫-২ ব্যবধানে বড় হারের পর কার্যত কঠিন অবস্থায় ছিল টটেনহ্যাম। তবে লিভারপুলের বিপক্ষে ড্রয়ের পর কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় দলটি, যার প্রতিফলন দেখা যায় এই ম্যাচে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে টটেনহ্যাম। যদিও ৬ মিনিটেই গোল খেয়ে বসতে পারত তারা, কিন্তু অফসাইডের কারণে অ্যাডেমোলা লুকম্যানের গোলটি বাতিল হয়। ৩০ মিনিটে প্রথম গোল পায় স্বাগতিকরা। ম্যাথিস তেলের দারুণ ক্রস থেকে হেডে বল জালে জড়ান র‌্যান্ডাল কোলো মুয়ানি। এই গোলে নতুন করে আশার আলো দেখেছিল টটেনহ্যাম। প্রথমার্ধে আরও সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে ভয় ধরায়, তবে গোলরক্ষক গুলিয়েলমো ভিকারিওর দৃঢ়তায় সমতায় ফেরার আগেই বিরতিতে যায় দল দুটি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যা

জিতেও বিদায় টটেনহ্যামের, হেরেও কোয়ার্টারে অ্যাটলেটিকো

প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে হারের খেসারতই দিতে হলো টটেনহ্যাম হটস্পারকে। বুধবার ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-২ গোলে হারিয়েও শেষ ষোলো থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হলো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবটিকে। কারণ, দুই লেগ মিলে টটেনহ্যামকে ৭-৫ ব্যবধানে হারিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

প্রথম লেগে মাদ্রিদে ৫-২ ব্যবধানে বড় হারের পর কার্যত কঠিন অবস্থায় ছিল টটেনহ্যাম। তবে লিভারপুলের বিপক্ষে ড্রয়ের পর কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় দলটি, যার প্রতিফলন দেখা যায় এই ম্যাচে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে টটেনহ্যাম। যদিও ৬ মিনিটেই গোল খেয়ে বসতে পারত তারা, কিন্তু অফসাইডের কারণে অ্যাডেমোলা লুকম্যানের গোলটি বাতিল হয়।

৩০ মিনিটে প্রথম গোল পায় স্বাগতিকরা। ম্যাথিস তেলের দারুণ ক্রস থেকে হেডে বল জালে জড়ান র‌্যান্ডাল কোলো মুয়ানি। এই গোলে নতুন করে আশার আলো দেখেছিল টটেনহ্যাম।

প্রথমার্ধে আরও সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে ভয় ধরায়, তবে গোলরক্ষক গুলিয়েলমো ভিকারিওর দৃঢ়তায় সমতায় ফেরার আগেই বিরতিতে যায় দল দুটি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে ফিরে আসে অ্যাটলেটিকো। ৪৭ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজ দুর্দান্ত শটে গোল করে সমতা ফেরান। এতে টটেনহ্যামের স্বপ্নে বড় ধাক্কা লাগে।

তবে হতাশ না হয়ে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। ৫২ মিনিটে জাভি সিমন্স দূরপাল্লার অসাধারণ শটে আবারও এগিয়ে দেন টটেনহ্যামকে। এই গোল মাঠে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে দেয়।

এরপরও আক্রমণ চালিয়ে যায় টটেনহ্যাম, কিন্তু গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দুর্দান্ত সেভে একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে কর্নার থেকে ডেভিড হানকোর হেডে গোল করে আবারও সমতায় ফেরে অ্যাটলেটিকো, যা কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা যোগ হয় ম্যাচে। অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি পায় টটেনহ্যাম, আর সেটি ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল পূর্ণ করেন জাভি সিমন্স। এর মাধ্যমে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে দলটি।

তবে এই জয় শুধুই সান্ত্বনার, কারণ দুই লেগ মিলিয়ে পিছিয়ে থাকায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে টটেনহ্যামকে। এখন তাদের সব মনোযোগ ঘরোয়া লিগে টিকে থাকার লড়াইয়ে।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow