জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: খুবিতে ৫ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে গণভোজ আয়োজন
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজের আয়োজন করেছে প্রশাসন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়াতেই এ আয়োজন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা ৪ হাজার ৯৫৬ জন শিক্ষার্থীকে এ আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলে ১ হাজার ১৮৫ জন, বিজয় ২৪ হলে ১ হাজার ১৩৫ জন, অপরাজিতা হলে ১ হাজার ৫০ জন, খান জাহান আলী হলে ৮৫১ জন এবং খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ হলে ৭৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, মিষ্টি ও সফট ড্রিংকস পরিবেশন করা হবে। অপরাজিতা হলের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের কাছে শুধু স্মৃতি নয়, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। প্রশাসন এই দিবস উপলক্ষে এমন আয়োজন করেছে সেটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা আমাদের মধ্যে সৌহার্দ্য আরও বাড়াবে। বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলের শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন বলেন, নির
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজের আয়োজন করেছে প্রশাসন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়াতেই এ আয়োজন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা ৪ হাজার ৯৫৬ জন শিক্ষার্থীকে এ আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলে ১ হাজার ১৮৫ জন, বিজয় ২৪ হলে ১ হাজার ১৩৫ জন, অপরাজিতা হলে ১ হাজার ৫০ জন, খান জাহান আলী হলে ৮৫১ জন এবং খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ হলে ৭৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, মিষ্টি ও সফট ড্রিংকস পরিবেশন করা হবে।
অপরাজিতা হলের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের কাছে শুধু স্মৃতি নয়, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। প্রশাসন এই দিবস উপলক্ষে এমন আয়োজন করেছে সেটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা আমাদের মধ্যে সৌহার্দ্য আরও বাড়াবে।
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলের শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন বলেন, নির্ধারিত সময়ে আবেদন করা সবাইকে এই আয়োজনে রাখা হয়েছে, যা আমাদের ভালো লেগেছে। আশা করি খাবারের মান ভালো হবে এবং সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করার এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও হওয়া উচিত।
প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ড. মো. খসরুল আলম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। এই দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা একটি সম্মিলিত আয়োজন করেছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যত শিক্ষার্থী আবেদন করেছে, তাদের সবাইকে এই আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কোনো আবেদনকারীকে বাদ রাখা হয়নি। আমরা শুধু অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আয়োজনের প্রতিটি দিক যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্টি নিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি ও তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও মূল্যবোধ চর্চারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?