জুড়ীতে একান্নবর্তী পরিবার পরিদর্শনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুর গ্রামে একটি একান্নবর্তী পরিবার প্রায় আট দশক ধরে পূর্বপুরুষের পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রেখে বসবাস করে আসছে। পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখা এই একান্নবর্তী পরিবারকে দেখতে বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে জুড়ীতে আসেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের প্রেস-তথ্য-সংস্কৃতি-শিক্ষা বিষয়ক দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া, ধামাই চা-বাগানের জিএম কাজল মাহমুদ, গ্রাউকের চেয়ারম্যান অশোক রঞ্জন পাল, একান্নবর্তী পরিবারের সোহাগী রানী পাল, পলাশ রুদ্র পাল সহ অনেকেই। এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস একান্নবর্তী পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পূর্বপুরুষের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা শুনেন। এসময় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস বলেন, একসময় একান্নবর্তী পরিবারের সংখ্যা বেশি থাকলেও এখন আর তেমন দেখা যায় না। জুড়ীর বিনন্দপুর গ্রামে এসে দেখলাম একটি একান্নবর্তী পরিবার প্রায় আট দশক ধরে টিকে আছে। এক হাঁড়িতে সবার রান্না হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সবাই মিলেমিশে চলছে। তা দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হবে। এক
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুর গ্রামে একটি একান্নবর্তী পরিবার প্রায় আট দশক ধরে পূর্বপুরুষের পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রেখে বসবাস করে আসছে। পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখা এই একান্নবর্তী পরিবারকে দেখতে বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে জুড়ীতে আসেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের প্রেস-তথ্য-সংস্কৃতি-শিক্ষা বিষয়ক দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া, ধামাই চা-বাগানের জিএম কাজল মাহমুদ, গ্রাউকের চেয়ারম্যান অশোক রঞ্জন পাল, একান্নবর্তী পরিবারের সোহাগী রানী পাল, পলাশ রুদ্র পাল সহ অনেকেই।
এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস একান্নবর্তী পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পূর্বপুরুষের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা শুনেন।
এসময় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস বলেন, একসময় একান্নবর্তী পরিবারের সংখ্যা বেশি থাকলেও এখন আর তেমন দেখা যায় না। জুড়ীর বিনন্দপুর গ্রামে এসে দেখলাম একটি একান্নবর্তী পরিবার প্রায় আট দশক ধরে টিকে আছে। এক হাঁড়িতে সবার রান্না হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সবাই মিলেমিশে চলছে। তা দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হবে। একান্নবর্তী পরিবার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, এই দৃষ্টান্ত শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের মানুষকেও অনুপ্রাণিত করবে। আজকের এই স্মৃতি আমার সারাজীবন মনে থাকবে।
What's Your Reaction?