জ্বালানির দাম বাড়ার গুজব, মধ্যরাতে ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়

পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়তে পারে এবংজ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ করেই মোটরসাইকেল আরোহী ও সাধারণ গ্রাহকদের ভিড় বেড়ে যায়। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের হাউজিং মোড় এলাকার পায়োনিয়ার ফিলিং স্টেশনে অস্বাভাবিক সংখ্যক মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের উপস্থিতি দেখা যায়। সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি কিংবা জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগেই জ্বালানি সংগ্রহ করতে পাম্পে ছুটে আসেন। সরেজমিনে দেখা যায়, গভীর রাতেও ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। কেউ মোটরসাইকেলের ট্যাংক পূর্ণ করছেন, আবার কেউ অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এতে পাম্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অপেক্ষমাণ গ্রাহকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পায়োনিয়ার ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, হঠাৎ এত গ্রাহক কেন এসেছেন, সে বিষয়ে তাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহ সংকট নিয়ে সরকারের বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা বা তথ্য আসেনি। তারা স্বাভ

জ্বালানির দাম বাড়ার গুজব, মধ্যরাতে ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়

পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়তে পারে এবংজ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ করেই মোটরসাইকেল আরোহী ও সাধারণ গ্রাহকদের ভিড় বেড়ে যায়।

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের হাউজিং মোড় এলাকার পায়োনিয়ার ফিলিং স্টেশনে অস্বাভাবিক সংখ্যক মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের উপস্থিতি দেখা যায়। সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি কিংবা জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগেই জ্বালানি সংগ্রহ করতে পাম্পে ছুটে আসেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, গভীর রাতেও ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। কেউ মোটরসাইকেলের ট্যাংক পূর্ণ করছেন, আবার কেউ অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এতে পাম্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অপেক্ষমাণ গ্রাহকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

পায়োনিয়ার ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, হঠাৎ এত গ্রাহক কেন এসেছেন, সে বিষয়ে তাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহ সংকট নিয়ে সরকারের বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা বা তথ্য আসেনি। তারা স্বাভাবিক নিয়মেই জ্বালানি বিক্রি করছেন।

জ্বালানি নিতে আসা কয়েকজন বাইকার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট ও গুঞ্জনের ভিত্তিতেই তারা আগাম জ্বালানি সংগ্রহ করতে এসেছেন। তবে এসব তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহ সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে একসঙ্গে কেনাকাটার প্রবণতা বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি কৃত্রিম সংকটের পরিবেশও তৈরি হতে পারে।

এ অবস্থায় জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দিনাজপুরবাসীর প্রত্যাশা, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত স্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গুজব প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে সঠিক তথ্য দ্রুত জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে অযথা আতঙ্ক ও ভোগান্তি দূর করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow