ঝালকাঠিতে কনস্টেবলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ঝালকাঠির রাজাপুরে ভাড়া বাসা থেকে এক পুলিশ কনস্টেবলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাঘড়ি বাজারের মসজিদ গলি এলাকার একটি বাসা থেকে মনি আক্তার (২৫) নামের ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মনি আক্তার উপজেলার বামনকাঠি এলাকার খলিলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নুর উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তবে তিনি গত ৫-৬ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে মনি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তিনি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা জানিয়েছে পরিবার। নিহতের ভাই ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী নুর উদ্দিন টাকার জন্য মনি আক্তারের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। তাদের একটি পাঁচ বছরের ছেলে রয়েছে ও মনি আক্তার তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ওমর ফারুকের দাবি, তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে গেছেন। অভিযুক্ত কনস্টেবল নুর উদ্দিনে

ঝালকাঠিতে কনস্টেবলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ঝালকাঠির রাজাপুরে ভাড়া বাসা থেকে এক পুলিশ কনস্টেবলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাঘড়ি বাজারের মসজিদ গলি এলাকার একটি বাসা থেকে মনি আক্তার (২৫) নামের ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মনি আক্তার উপজেলার বামনকাঠি এলাকার খলিলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামী নুর উদ্দিন ঝালকাঠি জেলা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তবে তিনি গত ৫-৬ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে মনি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তিনি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা জানিয়েছে পরিবার।

নিহতের ভাই ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী নুর উদ্দিন টাকার জন্য মনি আক্তারের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। তাদের একটি পাঁচ বছরের ছেলে রয়েছে ও মনি আক্তার তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

ওমর ফারুকের দাবি, তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে গেছেন।

অভিযুক্ত কনস্টেবল নুর উদ্দিনের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে মনি আক্তার ঘরের দরজা লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনার পর কেন পালিয়ে গেলেন এমন প্রশ্নে তিনি জানান, আতঙ্কে তিনি ছেলেকে নিয়ে বাসা থেকে চলে যান।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. আমিন হোসেন/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow