ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম
দীর্ঘদিন ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিচালিত হচ্ছে কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম। ভবনটির বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং খণ্ড খণ্ড অংশ ভেঙে পড়েছে। এতে যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিগত দেড়যুগ আগে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আমতলী গ্রামের হাইওয়ে সড়কের পাশে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িটির ভবনের ভেতরে ও বাহিরে খণ্ড খণ্ড ভেঙে যাচ্ছে। সিমেন্ট ঝড়ে পড়ে যাচ্ছে। দেয়াল ভেঙে রড দেখা যাচ্ছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানা গেছে। বৃষ্টির সময় ভবনের ছাদ থেকে পানি ভেতরে ঢুকে পড়ে, ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এক সদস্য কনস্টেবল শফিক বলেন, ফাঁড়ি ভবনটি অনেক পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সামান্য কম্পন কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতেও ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে সেবা নিতে আসা আব্দুস সালাম বলেন, পুলিশ ফাঁড়িতে এসে দেখেছি ভবনের বিভিন্ন অংশে
দীর্ঘদিন ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিচালিত হচ্ছে কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম। ভবনটির বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং খণ্ড খণ্ড অংশ ভেঙে পড়েছে। এতে যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিগত দেড়যুগ আগে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আমতলী গ্রামের হাইওয়ে সড়কের পাশে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িটির ভবনের ভেতরে ও বাহিরে খণ্ড খণ্ড ভেঙে যাচ্ছে। সিমেন্ট ঝড়ে পড়ে যাচ্ছে। দেয়াল ভেঙে রড দেখা যাচ্ছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানা গেছে। বৃষ্টির সময় ভবনের ছাদ থেকে পানি ভেতরে ঢুকে পড়ে, ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এক সদস্য কনস্টেবল শফিক বলেন, ফাঁড়ি ভবনটি অনেক পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সামান্য কম্পন কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতেও ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে সেবা নিতে আসা আব্দুস সালাম বলেন, পুলিশ ফাঁড়িতে এসে দেখেছি ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তারা আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাই সবার আগে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ভবনটির সিমেন্ট খসে পড়ে ভেতরের রড পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়ে গেছে। জরাজীর্ণ এ ভবনটি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এ. এন. এম. সাজেদুর রহমান বলেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িসহ আরও কিছু ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আমরা সেগুলো সংস্কারের চেষ্টা করছি, তবে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরোপুরি সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত নতুন কোনো ভবন পাওয়া যায়নি। তবে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
জাহাঙ্গীর আলম/এনএইচআর/এমএস
What's Your Reaction?