টি-টোয়েন্টি এভাবেই খেলা উচিত, নাহলে বড় ম্যাচ জিততে পারব না
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ১৮ ওভারেই পাড়ি দিয়েছে টাইগাররা। জিতেছে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে। অথচ রান তাড়ায় ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছিল। সেখান থেকে তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন আর শামীম পাটোয়ারীর মারকুটে ব্যাটিংয়ে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। শামীম মনে করছেন, টি-টোয়েন্টিটা আসলে এভাবেই খেলা উচিত। চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টির কারণে মাঠে গড়াতে পারেনি। শামীম মনে করছেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, ‘যেহেতু বৃষ্টির ওপর কোনো হাত নেই এটা আসলে ব্যাড লাক।’ তবে তিনি মনে করছেন এখনও সিরিজ জয়ের সুযোগ আছে। শামীমের ভাষায়, ‘হ্যাঁ অবশ্যই। আমাদের ভালো একটা অপরচুনিটি আছে সিরিজ জেতার অবশ্যই। সো আমরা চাইব যে অবশ্যই জেতার জন্য খেলতে।’ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ২১ বলে ৪৯ রানের বিধ্বংসী জুটিতে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়ে শামীম। হৃদয়ের সঙ্গে সেই জুটি নিয়ে বলতে গিয়ে শামীম বলেন, ‘আমি চাইব যে অবশ্যই এভাবে খেলা উচিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সো না হলে আমরা বড় ম্যাচগুলো জিততে পারব না।’ শামীম ৬ বা ৭ নম্বরে যখন ব্যাটিংয়ে ন
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ১৮ ওভারেই পাড়ি দিয়েছে টাইগাররা। জিতেছে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
অথচ রান তাড়ায় ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছিল। সেখান থেকে তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন আর শামীম পাটোয়ারীর মারকুটে ব্যাটিংয়ে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। শামীম মনে করছেন, টি-টোয়েন্টিটা আসলে এভাবেই খেলা উচিত।
চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টির কারণে মাঠে গড়াতে পারেনি। শামীম মনে করছেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, ‘যেহেতু বৃষ্টির ওপর কোনো হাত নেই এটা আসলে ব্যাড লাক।’
তবে তিনি মনে করছেন এখনও সিরিজ জয়ের সুযোগ আছে। শামীমের ভাষায়, ‘হ্যাঁ অবশ্যই। আমাদের ভালো একটা অপরচুনিটি আছে সিরিজ জেতার অবশ্যই। সো আমরা চাইব যে অবশ্যই জেতার জন্য খেলতে।’
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ২১ বলে ৪৯ রানের বিধ্বংসী জুটিতে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়ে শামীম। হৃদয়ের সঙ্গে সেই জুটি নিয়ে বলতে গিয়ে শামীম বলেন, ‘আমি চাইব যে অবশ্যই এভাবে খেলা উচিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সো না হলে আমরা বড় ম্যাচগুলো জিততে পারব না।’
শামীম ৬ বা ৭ নম্বরে যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন আসলে ভেবেচিন্তে ব্যাট করার সুযোগ থাকে না। নেমেই চার-ছক্কা হাঁকানোর চিন্তা করতে হয়। তার চিন্তাভাবনা কেমন থাকে?
শামীম বললেন, ‘আসলে আমি যখনই ব্যাটিংয়ে যাই, আমি একটু পজিটিভ থিঙ্ক নিয়ে যাই সবসময় যে মারা শুরু করব। সো আমি যদি একটু চালু খেলতে পারি আমার টিমের জন্য অনেক ভালো।’
ড্রেসিংরুম থেকে কোনো নির্দেশনা থাকে? শামীমের জবাব, ‘ড্রেসিংরুমে ওইটা না, বাট আমার মাইন্ডেই থাকে যে আমি এরকম এরকম খেলব। আমি একটু ফাস্ট খেলব। টি-টোয়েন্টিতে আমি এটাই থিঙ্ক করি সবসময়।’
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ছয়-সাত নম্বরের জায়গাটা খুব ক্রিটিক্যাল এখনো। ওইভাবে সেটলড না। আপনি ওয়ানডে ফরম্যাটটাকে কীভাবে দেখেন।সামনে ডিপিএল আছে। আপনি কি চাইবেন ডিপিএল দিয়ে আবার কামব্যাক করার?
শামীমের জবাব, ‘অবশ্যই। সামনে যেহেতু ডিপিএল আছে সো এটা আমার জন্য বেস্ট অপশন। এইটা দিয়ে আমার কামব্যাক করাটা সবচেয়ে বেশি ইজি হবে।’
এমএমআর
What's Your Reaction?