ট্রাম্পকে সকল জীবের প্রতি সম্প্রীতির দর্শন ব্যাখ্যা করলেন শি জিনপিং
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সকল জীবের মধ্যে সম্প্রীতি এবং প্রকৃতির নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধার ধারণা ব্যাখ্যা করেছেন। বেইজিংয়ের টেম্পল অব হেভেনে সফরকালে দুই নেতার একটি ছবি প্রকাশ করে শুক্রবার (১৫ মে) এ তথ্য জানান চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং।
বর্তমানে চীনে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের রয়েছেন ট্রাম্প। বেইজিংয়ের টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শনের সময় শি জিনপিং ট্রাম্পকে গোলাকার আকাশ ও চতুষ্কোণ পৃথিবীর ধারণারও ব্যাখ্যা দেন।
শি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষরেখা ধরে ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলাম। আজ যে টেম্পল অব হেভেন দেখা হচ্ছে, সেটিও ফরবিডেন সিটির সমবয়সী। এখানে গোলাকার আকাশ ও চতুষ্কোণ পৃথিবীর ধারণা রয়েছে, যা চীনা জনগণের মহাবিশ্ব সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনদর্শন তুলে ধরে।
গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দুই ঘণ্টা ১৫ মিনিটের বৈঠক শেষে টেম্পল অব হেভেনে যান শি ও ট্রাম্প। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে তাইওয়ান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
টেম্পল অব হেভেন গ্রেট হল অব দ্য পি
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সকল জীবের মধ্যে সম্প্রীতি এবং প্রকৃতির নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধার ধারণা ব্যাখ্যা করেছেন। বেইজিংয়ের টেম্পল অব হেভেনে সফরকালে দুই নেতার একটি ছবি প্রকাশ করে শুক্রবার (১৫ মে) এ তথ্য জানান চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং।
বর্তমানে চীনে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের রয়েছেন ট্রাম্প। বেইজিংয়ের টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শনের সময় শি জিনপিং ট্রাম্পকে গোলাকার আকাশ ও চতুষ্কোণ পৃথিবীর ধারণারও ব্যাখ্যা দেন।
শি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষরেখা ধরে ফরবিডেন সিটি পরিদর্শন করেছিলাম। আজ যে টেম্পল অব হেভেন দেখা হচ্ছে, সেটিও ফরবিডেন সিটির সমবয়সী। এখানে গোলাকার আকাশ ও চতুষ্কোণ পৃথিবীর ধারণা রয়েছে, যা চীনা জনগণের মহাবিশ্ব সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনদর্শন তুলে ধরে।
গ্রেট হল অব দ্য পিপলে দুই ঘণ্টা ১৫ মিনিটের বৈঠক শেষে টেম্পল অব হেভেনে যান শি ও ট্রাম্প। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে তাইওয়ান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
টেম্পল অব হেভেন গ্রেট হল অব দ্য পিপল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। তিয়ানআনমেন স্কয়ার ও ফরবিডেন সিটির সঙ্গে এটি বেইজিংয়ের কেন্দ্রীয় অক্ষরেখার অংশ এবং রাজধানীর অন্যতম প্রধান পর্যটন এলাকা।
দুই নেতা টেম্পল অব হেভেনের প্রধান স্থাপনা ছিনিয়ান হলও পরিদর্শন করেন। বৃত্তাকার এই স্থাপনাটি আকাশের প্রতীক। এর বাইরের চতুষ্কোণ প্রাচীর ও প্রাঙ্গণ পৃথিবীর প্রতীক হিসেবে নির্মিত। পুরো স্থাপনায় লোহার পেরেক ব্যবহার না করে চীনের ঐতিহ্যবাহী কাঠের সংযোজন কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে। তিনতলা বিশিষ্ট এই স্থাপনা আকাশ, মানুষ ও পৃথিবীর সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।
শি জিনপিং বলেন, প্রাচীন চীনের শাসকরা টেম্পল অব হেভেনে শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র, জনগণের কল্যাণ, অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো ফসলের জন্য প্রার্থনা করতেন।
তিনি আরও বলেন, এই ধারণা চীনের ঐতিহ্যগত সেই চিন্তাধারার প্রতিফলন, যেখানে জনগণকে রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভিত্তি মজবুত হলে রাষ্ট্রও শান্তিপূর্ণ থাকে।
বিবৃতিতে বলা হয়, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি জনগণকেন্দ্রিক সভ্যতার চিন্তাধারা ধারণ ও বিকাশ করছে। দলটি জনগণের সেবাকে মূল লক্ষ্য হিসেবে ধরে রেখেছে এবং জনগণের দৃঢ় সমর্থন পেয়েছে।
এ সময় ট্রাম্প বলেন, ২০১৭ সালে ফরবিডেন সিটি সফরের অভিজ্ঞতা এখনও তার স্মৃতিতে উজ্জ্বল।
তিনি বলেন, টেম্পল অব হেভেন ৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গৌরবের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। এটি চীনের ধ্রুপদি স্থাপত্যশিল্প ও গভীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির অসাধারণ নিদর্শন।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ই বড় দেশ এবং দুই দেশের জনগণও জ্ঞানী ও মহান। পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানো এবং জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করা উচিত।
টেম্পল অব হেভেন সফরে শি ও ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সচিবালয়ের সদস্য ছাই ছি, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বেইজিং সিটি কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি ইন লি।
সূত্র : আল জাজিরা