ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার রিফাত শামীম বরখাস্ত
দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, সরকারি আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীমকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। সোমবার (২০ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিফাত রহমান শামীম ডিএমপিতে যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। ১৮ আগস্ট তিনি ডিএমপির দায়িত্বভার অর্পণ করলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এরপর থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। আরও পড়ুন পলায়নের অভিযোগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা বরখাস্ত তার এ কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা, সরকারি আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাবিরোধী। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এসব অভিযোগ ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ হিসেবে শাস্
দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, সরকারি আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার রিফাত রহমান শামীমকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। সোমবার (২০ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিফাত রহমান শামীম ডিএমপিতে যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে তাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। ১৮ আগস্ট তিনি ডিএমপির দায়িত্বভার অর্পণ করলেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এরপর থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
তার এ কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা, সরকারি আইনানুগ আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলাবিরোধী। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী এসব অভিযোগ ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ হিসেবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো লিখিত জবাব দাখিল করেননি। পরবর্তী সময়ে অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে মত দেন। এরপর তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অন্য কোনো গুরুদণ্ড দেওয়া হবে না, এ মর্মে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। তবে এবারও তিনি কোনো জবাব দেননি।
এরপর অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে প্রথমে তাকে বরখাস্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, পিএসসি বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে। পরে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে তার বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।
টিটি/এমকেআর
What's Your Reaction?

