ডেভিট ইমনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন, মিলেছে ভারতীয় আধার কার্ড

চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাকে চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হলে আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে আদেশ দেবেন বলে জানা যায়। এর আগে সকালে যশোর থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হয়। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, বাংলাদেশে পুরো এই গ্যাংয়ের লিডার বলা যায় ডেভিড ইমনকে। গ্রুপের প্রধান সাজ্জাদ দেশের বাইরে রয়েছে। গ্রুপে ডেভিড ইমনের পরে রায়হান এখনও আমাদের নজরদারিতে আছে। পুলিশের কাছে কে কার প্রতিপক্ষ বা কোন গ্রুপের সদস্য-সেটি বিবেচ্য নয়। আমাদের কাছে একটাই বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, সে অপরাধী কি না। সে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা অপরাধে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য তুলে ধরেন এসপি মাসুদ আলম বলেন, পুলিশের সিডিএমএস তথ্য অনুযায়ী ইমনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি হত্যা মামলা এবং বাকি মামলাগুলো চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড

ডেভিট ইমনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন, মিলেছে ভারতীয় আধার কার্ড

চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাকে চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হলে আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে আদেশ দেবেন বলে জানা যায়। এর আগে সকালে যশোর থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, বাংলাদেশে পুরো এই গ্যাংয়ের লিডার বলা যায় ডেভিড ইমনকে। গ্রুপের প্রধান সাজ্জাদ দেশের বাইরে রয়েছে। গ্রুপে ডেভিড ইমনের পরে রায়হান এখনও আমাদের নজরদারিতে আছে। পুলিশের কাছে কে কার প্রতিপক্ষ বা কোন গ্রুপের সদস্য-সেটি বিবেচ্য নয়।

আমাদের কাছে একটাই বিষয় গুরুত্বপূর্ণ, সে অপরাধী কি না। সে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা অপরাধে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য তুলে ধরেন এসপি মাসুদ আলম বলেন, পুলিশের সিডিএমএস তথ্য অনুযায়ী ইমনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি হত্যা মামলা এবং বাকি মামলাগুলো চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ফটিকছড়ি থানায় মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। পুরাতন ফটিকছড়ি থানার মামলায় রিমান্ড আবেদন করা হবে।

যশোর থেকে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে এসপি বলেন, পুলিশের কাছে আগে থেকেই কিছু গোয়েন্দা তথ্য ও অন্যান্য আলামত ছিল। সেগুলোর ভিত্তিতেই তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি নিজের চেহারা পরিবর্তন করেছিলেন। এমনকি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চুল-দাড়ির স্টাইলও পরিবর্তন করেন। এটি কোনো আকস্মিক অভিযান নয়। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এই সফল অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে। একই সময়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডেভিড ইমনের সহযোগী মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেফতারে পৃথক অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে গ্রেপ্তার ডেভিট ইমনের কাছ থেকে একটি ভারতীয় আধার কার্ড জব্দ করেছে পুলিশ৷ সেই আধার কার্ডে তার নাম আজহার খান উল্লেখ করা আছে৷ এছাড়া তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুটি বিদেশী পিস্তাল দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ৷

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow