ঢাবির নবীন শিক্ষার্থীদের সিটের দাবিতে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও ডাকসুর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাকর্মীরা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসিক সিট নিশ্চিত করার দাবিতে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও করেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে তারা রেজিস্ট্রার ভবনের ভেতরে মিছিল নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় তলা প্রদক্ষিণ করেন। এসময় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ‘সিট আমার অধিকার, কেড়ে নেওয়ার সাধ্য কার’, ‘প্রথম বর্ষে বৈধ সিট করতে হবে’, ‘গেস্টরুম-গণরুম চলবে না’, ‘সিট নিয়ে টালবাহানা চলবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরসহ বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা। ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ অভিযোগ করেন, তিন সপ্তাহ আগে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতে সিট সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাকর্মীরা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসিক সিট নিশ্চিত করার দাবিতে রেজিস্ট্রার ভবন ঘেরাও করেছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়।
পরে তারা রেজিস্ট্রার ভবনের ভেতরে মিছিল নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় তলা প্রদক্ষিণ করেন। এসময় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ‘সিট আমার অধিকার, কেড়ে নেওয়ার সাধ্য কার’, ‘প্রথম বর্ষে বৈধ সিট করতে হবে’, ‘গেস্টরুম-গণরুম চলবে না’, ‘সিট নিয়ে টালবাহানা চলবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মুহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরসহ বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা।
ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ অভিযোগ করেন, তিন সপ্তাহ আগে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতে সিট সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৫ এপ্রিলের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা করতে না পারলে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা বা উপবৃত্তি চালু করতে হবে।
পরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার পর এক ব্রিফিংয়ে ফরহাদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজকের মধ্যেই হলগুলোতে সিটসংক্রান্ত সার্কুলার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। প্রতিটি হলে ফাঁকা সিটের তালিকা প্রস্তুত করে আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
এসময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, এখনো বহু পুরোনো সেশনের শিক্ষার্থীরা হলে সিট দখল করে আছেন, যার ফলে নবীনদের আবাসন সংকট তীব্র হচ্ছে।
সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ভিপি আহসান হাবীব ইমরোজ বলেন, অধিকাংশ নবীন শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে আসায় আবাসন সংকট তাদের জন্য বড় ভোগান্তি তৈরি করছে। দ্রুত সিট বরাদ্দ না হলে হলে আবারও ‘গেস্টরুম-গণরুম’ সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
এফএআর/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?