ঢামেকের পাশে পড়ে ছিল বৃদ্ধের মরদেহ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পেছন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধের (৬০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, বিকেল পৌনে তিনটার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার আইয়ুব আলীর মাধ্যমে খবর পেয়ে জরুরি বিভাগের পেছনে অচেতন অবস্থায় এক বৃদ্ধকে পড়ে থাকতে দেখি। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুনবাংলাদেশে মব কালচারের দিন শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আমরা থানা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম’ বলা সমন্বয়ক মাহদীকে জিজ্ঞাসাবাদ তিনি বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় এখনো জানা যায়নি, বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। সিআইডি ক্রাইমসিনকে খবর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পেছন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধের (৬০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, বিকেল পৌনে তিনটার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার আইয়ুব আলীর মাধ্যমে খবর পেয়ে জরুরি বিভাগের পেছনে অচেতন অবস্থায় এক বৃদ্ধকে পড়ে থাকতে দেখি। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে মব কালচারের দিন শেষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘আমরা থানা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম’ বলা সমন্বয়ক মাহদীকে জিজ্ঞাসাবাদ
তিনি বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় এখনো জানা যায়নি, বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। সিআইডি ক্রাইমসিনকে খবর দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় তার নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক মো. ফারুক।
কাজী আল-আমিন/কেএসআর
What's Your Reaction?