তরুণ নির্মাতাদের জন্য দেশে প্রথমবার ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’। অভিবাসন বিষয়ক বাস্তব গল্প তুলে ধরতে তরুণ নির্মাতা ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আহ্বান করেছে আয়োজকরা। ইতোমধ্যে গত ১ এপ্রিল থেকে চলচ্চিত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। ছবি জমা দেয়া যাবে ২৫ মে পর্যন্ত। অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহযোগিতায় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের আওতায় এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে। ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো অভিবাসনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা এবং অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মুঠোফোনসহ যেকোনো ডিভাইসে নির্মিত ফিকশন, ডকুমেন্টারি কিংবা অ্যানিমেশন; সব ধরনের চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে চলচ্চিত্রের মূল বিষয় হতে হবে অভিবাসন, এবং দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যে রাখতে হবে। উৎসবটি শুধু সাফল্যের গল্প নয়, বরং মানবপাচার, দালালের প্রতারণা, সমুদ্রপথের ঝুঁকি, বিদেশে মৃত্যু, মানসিক ট্রমা এবং পরিবারের দুর্ভোগের মতো বাস্তবতাও তুলে ধরতে উৎসাহ দিচ্ছে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার

তরুণ নির্মাতাদের জন্য দেশে প্রথমবার ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্ট’। অভিবাসন বিষয়ক বাস্তব গল্প তুলে ধরতে তরুণ নির্মাতা ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আহ্বান করেছে আয়োজকরা। ইতোমধ্যে গত ১ এপ্রিল থেকে চলচ্চিত্র জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। ছবি জমা দেয়া যাবে ২৫ মে পর্যন্ত।

অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহযোগিতায় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের আওতায় এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে। ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো অভিবাসনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা এবং অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, মুঠোফোনসহ যেকোনো ডিভাইসে নির্মিত ফিকশন, ডকুমেন্টারি কিংবা অ্যানিমেশন; সব ধরনের চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে চলচ্চিত্রের মূল বিষয় হতে হবে অভিবাসন, এবং দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যে রাখতে হবে।

উৎসবটি শুধু সাফল্যের গল্প নয়, বরং মানবপাচার, দালালের প্রতারণা, সমুদ্রপথের ঝুঁকি, বিদেশে মৃত্যু, মানসিক ট্রমা এবং পরিবারের দুর্ভোগের মতো বাস্তবতাও তুলে ধরতে উৎসাহ দিচ্ছে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। প্রথম পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে ক্যামেরা ও লেন্স, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ক্রিয়েটিভ কিট এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে থাকবে একটি অ্যাকশন ক্যামেরা। এছাড়া নির্বাচিত সব নির্মাতাকে দেওয়া হবে ক্রেস্ট ও সনদ।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র বাছাই ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে উৎসব। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শনের পাশাপাশি টেলিভিশন ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রথম ছয় সপ্তাহে প্রতি শনিবার অনলাইন কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। এতে গল্প নির্মাণ, পরিকল্পনা ও কারিগরি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

আগ্রহীরা অনলাইনের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে আয়োজকদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow