তিন কারণে ইতালিজুড়ে বিক্ষোভ

ইতালিজুড়ে সোমবার সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়েছে। মূলত দেশটির সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, পুনরায় অস্ত্রায়ন কর্মসূচি ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে এ ধর্মঘট শুরু হয়।  ইতালির ইউএসবি শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের ডাকে ‘আমরা সবকিছু থামিয়ে দেব’ স্লোগানে এ ধর্মঘট চলে। আন্দোলনকারীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সামরিক খাতে বাড়তি ব্যয় এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার পরিবর্তে অস্ত্র কেনাকে সরকারের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তারা গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা করেন এবং গাজার উদ্দেশে মানবিক সহায়তা নিয়ে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র প্রতি সমর্থন জানান। রাজধানী রোমসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। রোমের পিয়াজা দেই চিনকোয়েচেন্তো চত্বরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনি পতাকা প্রদর্শন করেন এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্রতি ইতালির নীতিগত সমর্থন বন্ধ করতে হবে। যুদ্ধ অর্থনীতির পরিবর্তে সামাজিক খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে। ধর্মঘটের কারণে দেশজুড়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে। রোমে একটি মেট্রো লাইন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। নেপলসেও একটি মে

তিন কারণে ইতালিজুড়ে বিক্ষোভ
ইতালিজুড়ে সোমবার সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়েছে। মূলত দেশটির সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, পুনরায় অস্ত্রায়ন কর্মসূচি ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে এ ধর্মঘট শুরু হয়।  ইতালির ইউএসবি শ্রমিক ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের ডাকে ‘আমরা সবকিছু থামিয়ে দেব’ স্লোগানে এ ধর্মঘট চলে। আন্দোলনকারীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সামরিক খাতে বাড়তি ব্যয় এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার পরিবর্তে অস্ত্র কেনাকে সরকারের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে তারা গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা করেন এবং গাজার উদ্দেশে মানবিক সহায়তা নিয়ে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র প্রতি সমর্থন জানান। রাজধানী রোমসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। রোমের পিয়াজা দেই চিনকোয়েচেন্তো চত্বরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনি পতাকা প্রদর্শন করেন এবং ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্রতি ইতালির নীতিগত সমর্থন বন্ধ করতে হবে। যুদ্ধ অর্থনীতির পরিবর্তে সামাজিক খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে। ধর্মঘটের কারণে দেশজুড়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে। রোমে একটি মেট্রো লাইন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। নেপলসেও একটি মেট্রো লাইনের চলাচল বন্ধ ছিল। মিলানে কিছু উপশহরীয় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয় এবং লিভোর্নো বন্দরের শ্রমিকরাও কর্মবিরতি পালন করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কর্মীরা বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে উপেক্ষা করে সামরিক ব্যয় বাড়ানো সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow