তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৮০ ডলার ছাড়াতে পারে: সৌদির শঙ্কা

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৮০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে মনে করছে সৌদি আরব। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসের শেষ পর্যন্ত যদি হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন চলতে থাকে, তাহলে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সৌদি কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যাপক ওঠানামা করছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) একপর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৯ ডলারে পৌঁছালেও পরে তা কিছুটা কমে আসে। রিয়াদভিত্তিক কিং ফয়সাল গবেষণা ও ইসলামিক স্টাডিজ কেন্দ্রের সৌদি পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ উমার কারিম আল-জাজিরাকে বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে তেলের দাম অন্তত ১৫০ ডলার পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, যদি লোহিত সাগরের টার্মিনালগুলোতে হামলা হয় বা কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে ১৫০ ডলারের ওপরে দাম যাওয়া খুবই সম্ভব। উমার কারিম আরও বলেন, বর্তমানে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে এটিই একমাত্র কার্যকর সংযোগ পথ। এদিকে, সৌদি আরব এখনো তেল রপ্তানি চালিয়ে যেতে পারছে, কারণ তাদের ল

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৮০ ডলার ছাড়াতে পারে: সৌদির শঙ্কা

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৮০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে মনে করছে সৌদি আরব। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসের শেষ পর্যন্ত যদি হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন চলতে থাকে, তাহলে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে বলে সৌদি কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যাপক ওঠানামা করছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) একপর্যায়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৯ ডলারে পৌঁছালেও পরে তা কিছুটা কমে আসে।

রিয়াদভিত্তিক কিং ফয়সাল গবেষণা ও ইসলামিক স্টাডিজ কেন্দ্রের সৌদি পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ উমার কারিম আল-জাজিরাকে বলেন, যুদ্ধের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে তেলের দাম অন্তত ১৫০ ডলার পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, যদি লোহিত সাগরের টার্মিনালগুলোতে হামলা হয় বা কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে ১৫০ ডলারের ওপরে দাম যাওয়া খুবই সম্ভব।

উমার কারিম আরও বলেন, বর্তমানে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে এটিই একমাত্র কার্যকর সংযোগ পথ।

এদিকে, সৌদি আরব এখনো তেল রপ্তানি চালিয়ে যেতে পারছে, কারণ তাদের লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে স্থাপনা রয়েছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত।

তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান ও ইসরায়েলের হামলায় যেভাবে জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে, তাতে ইয়ানবু বন্দরও ভবিষ্যতে হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow