দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান নৌবাহিনী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তৈমুর নামক আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানায়, এই উৎক্ষেপণের ফলে সামুদ্রিক হামলা সক্ষমতায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। বিবৃতিতে আইএসপিআর বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি উন্নত জাহাজ-বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবস্থা। পরীক্ষায় এটি অসাধারণ নির্ভুলতা প্রদর্শন করেছে, যা দূরবর্তী পাল্লা থেকে শত্রুপক্ষের সামুদ্রিক হুমকি শনাক্ত, অনুসরণ এবং চূড়ান্তভাবে নিষ্ক্রিয় করার ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর সক্ষমতাকে প্রমাণ করে। আইএসপিআর এই পরীক্ষাকে সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার সক্ষমতা ও অভিযানিক প্রস্তুতির এক শক্তিশালী প্রদর্শনী হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, এই অগ্রগতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সফল গোলাবর্ষণ প্রচলিত ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর বহুমুখী সমন্বিত আঘাত হানার সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে অভিযানগত সমন্বয় বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল প
পাকিস্তান নৌবাহিনী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তৈমুর নামক আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানায়, এই উৎক্ষেপণের ফলে সামুদ্রিক হামলা সক্ষমতায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি উন্নত জাহাজ-বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবস্থা। পরীক্ষায় এটি অসাধারণ নির্ভুলতা প্রদর্শন করেছে, যা দূরবর্তী পাল্লা থেকে শত্রুপক্ষের সামুদ্রিক হুমকি শনাক্ত, অনুসরণ এবং চূড়ান্তভাবে নিষ্ক্রিয় করার ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর সক্ষমতাকে প্রমাণ করে।
আইএসপিআর এই পরীক্ষাকে সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার সক্ষমতা ও অভিযানিক প্রস্তুতির এক শক্তিশালী প্রদর্শনী হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, এই অগ্রগতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই সফল গোলাবর্ষণ প্রচলিত ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর বহুমুখী সমন্বিত আঘাত হানার সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী এবং বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে অভিযানগত সমন্বয় বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল পাকিস্তানের নৌবাহিনী তাদের দেশে তৈরি একটি জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। এছাড়া জানুয়ারি মাসে উত্তর আরব সাগরে কমপ্রিহেনসিভ এক্সারসাইজের সময় নৌবাহিনী সফলভাবে সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল বা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল।
What's Your Reaction?