দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়া রোধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ছবি আঁকা, মাটি দিয়ে কাজ করা এবং বিভিন্ন উপকরণ তৈরির মাধ্যমে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দিয়েছে। সম্প্রতি ডিপিইর পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’ কর্মসূচির আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির চারু ও কারুকলা বিষয়ের শিক্ষক সহায়িকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ছবি আঁকতে উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়া মাটি দিয়ে নানা ধরনের উপকরণ তৈরি করানো এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পকর্ম শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে, যাতে তারা আরও উৎসাহিত হয় এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারে। এতে আরো বলা হয়, শ্রেণিকক্ষে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে শিক্ষকরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়কে প্রিয় ও নিরাপদ স্থান হিসেবে

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়া রোধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ছবি আঁকা, মাটি দিয়ে কাজ করা এবং বিভিন্ন উপকরণ তৈরির মাধ্যমে ‘খেলার ছলে শেখা’ কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দিয়েছে।

সম্প্রতি ডিপিইর পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস (আনন্দময় শিক্ষা)’ কর্মসূচির আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির চারু ও কারুকলা বিষয়ের শিক্ষক সহায়িকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ছবি আঁকতে উৎসাহিত করতে হবে।

এছাড়া মাটি দিয়ে নানা ধরনের উপকরণ তৈরি করানো এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি শিল্পকর্ম শ্রেণিকক্ষে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে, যাতে তারা আরও উৎসাহিত হয় এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে পারে।

এতে আরো বলা হয়, শ্রেণিকক্ষে আনন্দময় ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে শিক্ষকরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়কে প্রিয় ও নিরাপদ স্থান হিসেবে অনুভব করবে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থাকার প্রতিও তাদের আগ্রহ বাড়বে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভাগীয় উপপরিচালক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow