দেড় কোটি শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’

সারাদেশের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট।  বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। শিক্ষা ও খেলাধুলার সমন্বয়ের মাধ্যমে সুস্থ, দক্ষ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্তিশালী করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যেই দেশব্যাপী ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট’র আয়োজন করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার বিস্তার ঘটাতে এই টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আয়োজকরা জানান, বালক-বালিকা উভয় বিভাগেই এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের ১৯ হাজার ২২১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয

দেড় কোটি শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’

সারাদেশের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

শিক্ষা ও খেলাধুলার সমন্বয়ের মাধ্যমে সুস্থ, দক্ষ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়ার ভিত্তি শক্তিশালী করে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যেই দেশব্যাপী ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট’র আয়োজন করা হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার বিস্তার ঘটাতে এই টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

আয়োজকরা জানান, বালক-বালিকা উভয় বিভাগেই এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের ১৯ হাজার ২২১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ৫৫৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৩ হাজার ৩৮০টি কলেজ, ৯ হাজার ২৯৬টি মাদ্রাসা এবং ৬৭৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪০ হাজার ২৩১টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী সম্পৃক্ত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চট্টগ্রাম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একই সময়ে দেশের সব উপজেলায় টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হবে। তবে চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত ৯ আগস্টের পরিবর্তে আগামী সেপ্টেম্বরের ৯ অথবা ১০ তারিখ উদ্বোধনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এছাড়া টুর্নামেন্ট উপলক্ষে লোগো, মাসকট, স্লোগান, থিম সং ও রিলস তৈরিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। নির্বাচিত সেরা সৃষ্টিগুলোর নির্মাতাদের প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ, দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আয়োজনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বললেন, ‘বিশ্বকাপের পর এবার ফুটবল নিয়ে নতুন এক উন্মাদনা তৈরি হবে চট্টগ্রামে। আমরা মেসি-এমবাপ্পেদের খেলা দেখেছি, এবার বাংলাদেশের খুদে ফুটবলারদের নৈপুণ্য দেখার অপেক্ষায় আছি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow