দোষীদের শাস্তিসহ ৪ দাবি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দোষীদের শাস্তিসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর এ দাবি পেশ করে ঢামেক ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি (আইডিএস)। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. মিলন চত্বর থেকে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। ঢামেক আইডিএসের সাধারণ সম্পাদক নাবিল বিন কাশেম বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো হলো- জড়িত ঢাবি শিক্ষার্থীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার করা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে সব স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার না পাই, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা মেডিকেলসহ দেশের সব হাসপাতালে কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হবো।’ উল্লেখ, গত বুধবার বিকেলে এক ঢাবি শিক্ষার্থী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রয়

দোষীদের শাস্তিসহ ৪ দাবি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দোষীদের শাস্তিসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর এ দাবি পেশ করে ঢামেক ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি (আইডিএস)। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. মিলন চত্বর থেকে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

ঢামেক আইডিএসের সাধারণ সম্পাদক নাবিল বিন কাশেম বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো হলো- জড়িত ঢাবি শিক্ষার্থীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার করা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে সব স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার না পাই, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা মেডিকেলসহ দেশের সব হাসপাতালে কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হবো।’

উল্লেখ, গত বুধবার বিকেলে এক ঢাবি শিক্ষার্থী জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দেন। তবে এতে উল্লেখিত ওষুধ হাসপাতালের সরবরাহে না থাকায় বাইরে থেকে কিনে আনতে বলা হয়। এ নিয়ে ওই শিক্ষার্থী ও তার কয়েকজন সহপাঠী চিকিৎসকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় দুই ঘণ্টা জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকে। পরে রাত ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগের ডিজি, রমনা পুলিশের ডিসি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের মধ্যে বৈঠক হয় এবং তারা ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রতিবেদন শনিবারের মধ্যে প্রকাশ করার কথা ছিল।

কেএজেডআইএ/একিউএফ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow