নওগাঁয় ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকা

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড়ে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাত ১২টার পর থেকে দফায় দফায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে এ ঝড়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝড় ও বৃষ্টিতে উপজেলার ছোট চাঁদপুর, বড় চাঁদপুর, হরিরামপুর, মাহমুদপুর, চকজয়রাম, ঠুকনিপাড়া, নতুনহাট ও পালশা গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের তীব্রতায় কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের চাল উড়ে যায়। অনেক দোকানপাটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মেঘের গর্জন ও বজ্রপাতের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছোট চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা শামসুল আলম বলেন, এক সপ্তাহ আগে টিন দিয়ে ঘর তৈরি করেছি। রাতের ঝড়ে ঘরের চাল উড়ে গেছে। এতে অনেক ক্ষতি হয়েছে। হরিরামপুর গ্রামের আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝড়ে ঘর লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঘরের সব চাল উড়ে গেছে। এখন খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে। নজিপুর বাসস্ট্যান্ড বণিক কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, রাতে দফায়

নওগাঁয় ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকা

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড়ে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাত ১২টার পর থেকে দফায় দফায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে এ ঝড়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝড় ও বৃষ্টিতে উপজেলার ছোট চাঁদপুর, বড় চাঁদপুর, হরিরামপুর, মাহমুদপুর, চকজয়রাম, ঠুকনিপাড়া, নতুনহাট ও পালশা গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের তীব্রতায় কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের চাল উড়ে যায়। অনেক দোকানপাটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মেঘের গর্জন ও বজ্রপাতের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ছোট চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা শামসুল আলম বলেন, এক সপ্তাহ আগে টিন দিয়ে ঘর তৈরি করেছি। রাতের ঝড়ে ঘরের চাল উড়ে গেছে। এতে অনেক ক্ষতি হয়েছে।

নওগাঁয় ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকা

হরিরামপুর গ্রামের আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝড়ে ঘর লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঘরের সব চাল উড়ে গেছে। এখন খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে।

নজিপুর বাসস্ট্যান্ড বণিক কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, রাতে দফায় দফায় ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নজিপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন মোড়ে প্রায় ৪০০ চালা ঘরের চাল উড়ে গেছে। অনেক এলাকায় রাত থেকেই বিদ্যুৎ নেই।

পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা বলেন, উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

আরমান হোসেন রুমন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow