নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট, শিলাবৃষ্টিতে ভোগান্তি চরমে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপে সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে যাত্রীদের ভোগান্তিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলের পর থেকে শুরু হয় এই যানজট। সরেজমিনে দেখা গেছে, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখী লেনে চন্দ্রা থেকে জিরানী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার এবং নবীনগর থেকে শ্রীপুর পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে। এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত আরও ৬ কিলোমিটার সড়কে যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। ১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের এক ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এরপরই শুরু হয় শিলা বৃষ্টি। নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখী লেনে চন্দ্রা থেকে জিরানী প্রায় ৮ কিলোমিটার ও নবীনগর থেকে শ্রীপুর পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার জটলা রয়েছে। এছাড়াও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা আরো ৬ কিলোমিটার সড়ককে ছিল যানবাহনের দীর্ঘ সারি। দীর্ঘ যানজটের মধ্যে হঠাৎ শুরু হওয়া শিলাবৃষ্টি যাত্রীদের জন্য চরম বিড়ম্বনা নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে বাস ও ট্রাকের ছাদে থাকা

নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট, শিলাবৃষ্টিতে ভোগান্তি চরমে

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপে সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে যাত্রীদের ভোগান্তিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলের পর থেকে শুরু হয় এই যানজট।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখী লেনে চন্দ্রা থেকে জিরানী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার এবং নবীনগর থেকে শ্রীপুর পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে। এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত আরও ৬ কিলোমিটার সড়কে যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। ১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে যাত্রীদের এক ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট, শিলাবৃষ্টিতে ভোগান্তি চরমে

এরপরই শুরু হয় শিলা বৃষ্টি। নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখী লেনে চন্দ্রা থেকে জিরানী প্রায় ৮ কিলোমিটার ও নবীনগর থেকে শ্রীপুর পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার জটলা রয়েছে। এছাড়াও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা আরো ৬ কিলোমিটার সড়ককে ছিল যানবাহনের দীর্ঘ সারি।

দীর্ঘ যানজটের মধ্যে হঠাৎ শুরু হওয়া শিলাবৃষ্টি যাত্রীদের জন্য চরম বিড়ম্বনা নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে বাস ও ট্রাকের ছাদে থাকা যাত্রীরা বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে পড়েছেন। অনেক যাত্রী নিরুপায় হয়ে চন্দ্রা ফ্লাইওভারের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।

পলাশ মিয়া নামের এক যাত্রী জানান, বাইপাইল থেকে চন্দ্রা পৌঁছাতে তার আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। অন্যদিকে আয়শা বেগম নামের এক নারী যাত্রী অভিযোগ করেন, বৃষ্টির সুযোগে বাসগুলো তিন গুণ বেশি ভাড়া চাচ্ছে, তাই বাধ্য হয়ে তিনি খোলা ট্রাকে গন্তব্যে রওনা হয়েছেন।

নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট, শিলাবৃষ্টিতে ভোগান্তি চরমে

শাওন পরিবহনের চালক আলি আকবর বলেন, পল্লীবিদ্যুৎ থেকে বাইপাইল পর্যন্ত আসতে সময় লেগেছে এক ঘণ্টার বেশি। জানি না কত সময় লাগবে। অন্য সময় নবীনগর থেকে চন্দ্রা যেতে সময় লাগে ত্রিশ মিনিটের কম। বাসে যাত্রী ছিল অধিকাংশ নেমে গেছে। এখন খালি গাড়ি নিয়ে চন্দ্রা যেতে হবে।

সাভার হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান বলেন, পুলিশ কাজ করছে। একসঙ্গে গার্মেন্টসগুলো বন্ধ হওয়ায় চাপ পড়েছে সড়কে। এখন পরিস্থিতি আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণে আসছে। খুব তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হবে।

মাহফুজুর রহমান নিপু/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow