নারায়ণগঞ্জে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অভিযান, হর্ন জব্দসহ জরিমানা
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এক অভিযানে পাঁচটি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে পাঁচটি উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন জব্দ এবং ২ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এইচএম রাশেদ। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এবং মো. আরিফ ইশতিয়াকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এতে সহায়তা করে সদর থানা পুলিশ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের একটি দল। অভিযান চলাকালীন উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানোর দায়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. হুজ্জাতুল ইসলাম আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো তুলে ধরেন। এরপর ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬’ (বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ২০২৫-এর স্থলে সঠিক বিধিমালা) অনুযায়ী পাঁচটি যানবাহনের চালককে আর্থিক জরিমানা করা হয় এবং গাড়িগুলো থেকে অবৈধ হর্নগুলো খুলে নেওয়া হয়। অভিযান প্রসঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এক অভিযানে পাঁচটি যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে পাঁচটি উচ্চশব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন জব্দ এবং ২ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এইচএম রাশেদ।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এবং মো. আরিফ ইশতিয়াকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। এতে সহায়তা করে সদর থানা পুলিশ এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের একটি দল।
অভিযান চলাকালীন উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানোর দায়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. হুজ্জাতুল ইসলাম আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো তুলে ধরেন। এরপর ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬’ (বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ২০২৫-এর স্থলে সঠিক বিধিমালা) অনুযায়ী পাঁচটি যানবাহনের চালককে আর্থিক জরিমানা করা হয় এবং গাড়িগুলো থেকে অবৈধ হর্নগুলো খুলে নেওয়া হয়।
অভিযান প্রসঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। আইন অমান্য করে যারা উচ্চ শব্দে হর্ন ব্যবহার করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শহরবাসীকে শব্দদূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?