নেশাজাতীয় দ্রব্য পানের পর একে একে ৫ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল দ্রব্য পান করার পর দুই দিনে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বুধবার ও বৃহস্পতিবার তারা একে একে মারা যান বলে জানা গেছে। এর আগে, মঙ্গলবার নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। মৃতরা হলেন- উপজেলার মোড়াকড়ি গ্রামের সুদেব দাস (৬০) ও সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২) ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত (৪৫)। স্থানীয়রা জানান, ওই পাঁচজন লাখাই উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’ থেকে অ্যালকোহল জাতীয় তরল দ্রব্য কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরল দ্রব্য সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে সবাই মারা যান। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুজিতের মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান সুদেব। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেওয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস নিজ গ্রামেই মারা যান। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমে

নেশাজাতীয় দ্রব্য পানের পর একে একে ৫ জনের মৃত্যু

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল দ্রব্য পান করার পর দুই দিনে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার তারা একে একে মারা যান বলে জানা গেছে। এর আগে, মঙ্গলবার নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

মৃতরা হলেন- উপজেলার মোড়াকড়ি গ্রামের সুদেব দাস (৬০) ও সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২) ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত (৪৫)।

স্থানীয়রা জানান, ওই পাঁচজন লাখাই উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’ থেকে অ্যালকোহল জাতীয় তরল দ্রব্য কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরল দ্রব্য সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে সবাই মারা যান। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুজিতের মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান সুদেব। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেওয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস নিজ গ্রামেই মারা যান।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তারা পুলিশকে না জানিয়েই মরদেহগুলো দাহ করেছেন। এর মধ্যে সুদেব দাস নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, মদের উৎস ও এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান ছিল কি না এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সদর আধুনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ দাস বলেন, কীভাবে মৃত্যু হয়েছে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি নিশ্চিত হতে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার বিকল্প নেই।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/কেএইচকে 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow