নৈতিক সমাজ গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই: মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে ১৯ দিনব্যাপী ‌‘মহান স্বাধীনতা বইমেলা-২০২৬’। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়ামসংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি নৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই মানুষের চিন্তার জগৎ প্রসারিত করে এবং প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। মেয়র বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। তিনি জানান, নগরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে চসিক উদ্যোগ নিয়েছে। এ কাজে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নগর পরিচালনা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, দেশে পূর্ণাঙ্গ সিটি গভর্নমেন্ট ব্যবস্থা না থাকায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও চসিকের আওতাধীন এলাকায় ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণে কাজ চলমান রয়েছে। বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না বরং বই জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্র

নৈতিক সমাজ গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই: মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে ১৯ দিনব্যাপী ‌‘মহান স্বাধীনতা বইমেলা-২০২৬’।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়ামসংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি নৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই মানুষের চিন্তার জগৎ প্রসারিত করে এবং প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।

মেয়র বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। তিনি জানান, নগরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে চসিক উদ্যোগ নিয়েছে। এ কাজে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নগর পরিচালনা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, দেশে পূর্ণাঙ্গ সিটি গভর্নমেন্ট ব্যবস্থা না থাকায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও চসিকের আওতাধীন এলাকায় ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণে কাজ চলমান রয়েছে।

jagonews24

বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না বরং বই জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সংস্কৃতি জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

চসিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে এবারের মেলায় ১২৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ডাবল ও ৯৪টি সিঙ্গেল স্টল। চট্টগ্রাম ও ঢাকার ১১২টি প্রকাশনা সংস্থা এতে অংশ নিয়েছে।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় সাহিত্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক নানা আয়োজন রাখা হয়েছে।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow