পটিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মারা গেছেন

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের কাসেমি নদভী আর নেই। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৃত্যুবরণ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। কালবেলাকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। মাওলানা আবু তাহের কাসেমি ১৯৬০ সালে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর নিচিন্তাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম নাজির আহমদ। শৈশবেই তিনি পারিবারিক পরিবেশে দ্বীনি শিক্ষার সূচনা করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি নানুপুর, জামিয়া ইউনুসিয়া এবং আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় অধ্যয়ন করেন। ১৯৮০ সালে দাওরায়ে হাদিস এবং ১৯৮১ সালে ইফতা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত ও পাকিস্তানে সফর করেন। দারুল উলুম দেওবন্দে পুনরায় দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন এবং নদওয়াতুল উলামায় আরবি ভাষা ও সাহিত্যে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে মাওলানা আবু তাহের আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় শিক্ষকতা শুরু করেন। সেখানে হাদিস ও আরবি সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন

পটিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মারা গেছেন

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের কাসেমি নদভী আর নেই।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৃত্যুবরণ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

কালবেলাকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

মাওলানা আবু তাহের কাসেমি ১৯৬০ সালে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর নিচিন্তাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম নাজির আহমদ। শৈশবেই তিনি পারিবারিক পরিবেশে দ্বীনি শিক্ষার সূচনা করেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি নানুপুর, জামিয়া ইউনুসিয়া এবং আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় অধ্যয়ন করেন। ১৯৮০ সালে দাওরায়ে হাদিস এবং ১৯৮১ সালে ইফতা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত ও পাকিস্তানে সফর করেন। দারুল উলুম দেওবন্দে পুনরায় দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন এবং নদওয়াতুল উলামায় আরবি ভাষা ও সাহিত্যে উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেন।

শিক্ষাজীবন শেষে মাওলানা আবু তাহের আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ায় শিক্ষকতা শুরু করেন। সেখানে হাদিস ও আরবি সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি প্রশাসনিক দায়িত্বেও নিয়োজিত ছিলেন এবং দারুল ইকামার নাজিম হিসেবেও কাজ করেছেন।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের অক্টোবরে তিনি আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow