পতাকা উত্তোলনের পর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন

খুলনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে পতাকা উত্তোলনের কিছু সময় পর সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে একদল ক্ষুব্ধ ছাত্র। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে তাতে মালা পরিয়ে দেন। এসময় তাঁরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানও দেন। পরে এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নগরজুড়ে উত্তেজনা শুরু হয়। রাতে কিছু ছাত্র কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় তারা আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন এবং অগ্নিসংযোগ করেন। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, বিকেলে আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কিন্তু তালাবদ্ধ থাকায় তখন ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে কার্যালয় যারা খুলেছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায়

পতাকা উত্তোলনের পর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন

খুলনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে পতাকা উত্তোলনের কিছু সময় পর সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে একদল ক্ষুব্ধ ছাত্র।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে তাতে মালা পরিয়ে দেন। এসময় তাঁরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানও দেন। পরে এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নগরজুড়ে উত্তেজনা শুরু হয়। রাতে কিছু ছাত্র কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় তারা আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন এবং অগ্নিসংযোগ করেন।

পতাকা উত্তোলনের পর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, বিকেলে আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কিন্তু তালাবদ্ধ থাকায় তখন ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে কার্যালয় যারা খুলেছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছবি টাঙানোর পর ছাত্ররা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয়ভাবে আগুন নেভানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আরিফুর রহমান/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow